ফৌজদারী কার্যবিধি মডেল টেস্ট ২৫ 0% সময় মাত্র ৩০ মিনিট এর মধ্যে শেষ করতে হবে। সময় শেষ ধন্যবাদ। সিআরপিসি, মডেল টেস্ট ২৫ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ প্রশ্নঃ- ৫০টি পূর্নমানঃ- ৫০ সময়ঃ ৩০ মিনিট 1 / 50 ৩৪৫(২) ধারার টেবিল অনুযায়ী, নিচের কোন অপরাধটির আপস-মীমাংসা আদালতের অনুমতি নিয়ে করা যায়? A) অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (ধারা ৪৪৭) B) স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা (ধারা ৩২৫) C) মানহানি (ধারা ৫০০) D) ব্যভিচার (ধারা ৪৯৭) 2 / 50 ৪৩৯(৫) ধারা অনুযায়ী, কোডের অধীনে আপিল করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যদি আপিল করা না হয়, তবে যে পক্ষ আপিল করতে পারত তার আবেদনে কি রিভিশন কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে? A) শুধুমাত্র যদি হাইকোর্ট অনুমতি দেয় B) শুধুমাত্র ৫ বছর পর C) হ্যাঁ D) না 3 / 50 দণ্ড লঘুকরণ (Commutation of a sentence - ৪০২ ধারা) বলতে বোঝায়: A) দণ্ডাদেশ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা B) একটি কঠোর দণ্ডের পরিবর্তে কম কঠোর দণ্ড দেওয়া C) সাজা বাড়ানো D) দণ্ডাদেশ পুরোপুরি বাতিল করা 4 / 50 ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বা যেকোনো দায়রা জজ কোনো অধস্তন ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রমের রেকর্ড তলব করে পরীক্ষা করতে পারেন কী বিষয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার জন্য? A) যেকোনো সিদ্ধান্ত, দণ্ডাদেশ বা আদেশের সঠিকতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা B) বিচারের আর্থিক খরচ C) রায়ের জনপ্রিয়তা D) রায়ের বানানে কোনো ভুল আছে কি না 5 / 50 ৪১৯ ধারা অনুযায়ী, প্রতিটি আপিল লিখিত পিটিশন আকারে করতে হবে এবং এর সাথে কী যুক্ত থাকতে হবে? A) ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্ট B) যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার একটি অনুলিপি C) পুলিশ ডায়েরি D) অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র 6 / 50 A-এর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয় এবং তাকে খালাস দেওয়া হয়। পরে কি একই ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে দণ্ডনীয় নরহত্যার অভিযোগ আনা যেতে পারে? A) হ্যাঁ B) না (৪০৩ ধারা এমন কোনো অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত করে যার জন্য ২৩৬ ধারার অধীনে একটি ভিন্ন অভিযোগ আনা যেত) C) শুধুমাত্র যদি অস্ত্র পাওয়া যায় D) শুধুমাত্র যদি সে পরে স্বীকারোক্তি দেয় 7 / 50 ৪০৮ ধারার শর্তাংশ (a) অনুযায়ী, যুগ্ম দায়রা জজ যদি পাঁচ বছরের বেশি কারাদণ্ড প্রদান করেন, তবে আপিল কোথায় করতে হবে? A) দায়রা আদালতে B) জেলা জজের কাছে C) আপিল বিভাগে D) হাইকোর্ট বিভাগে 8 / 50 ৪১৭এ(১) ধারা অনুযায়ী, সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে হাইকোর্ট বিভাগে কোনো দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার নির্দেশ দিতে পারে কোন যুক্তিতে? A) পদ্ধতিগত ত্রুটি B) অত্যধিক কঠোরতা C) সাজার অপর্যাপ্ততা (inadequacy) D) এখতিয়ারের অভাব 9 / 50 ৪২৮ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালত যদি মনে করে যে অতিরিক্ত সাক্ষ্যের প্রয়োজন আছে, তবে আদালত: A) নিজেই ওই সাক্ষ্য নিতে পারে B) কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে (বা হাইকোর্ট হলে দায়রা আদালতকে) ওই সাক্ষ্য নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে C) কোনোটিই নয়, আপিল আদালত নতুন সাক্ষ্য নিতে পারে না D) A এবং B উভয়ই 10 / 50 ৪০৬এ ধারা অনুযায়ী, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো জামিনদারকে (surety) গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন বা প্রত্যাখ্যান করেন, তবে কোথায় আপিল করা যাবে? A) দায়রা আদালতে B) আইন মন্ত্রণালয়ে C) সুপ্রিম কোর্টে D) হাইকোর্ট বিভাগে 11 / 50 ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা পাওয়া কোনো ব্যক্তি যদি আগে থেকেই জামিনে থাকে, তবে কি বিচার চলাকালীন তাকে জেলে যেতে হবে? A) তাকে অবশ্যই দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে B) হ্যাঁ, জামিন বাতিল করা হয় C) তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয় D) না, সে জামিনেই থাকে (৩৩৭(৩) ধারা) 12 / 50 ৪১০ ধারা অনুযায়ী, দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করতে হয়? A) রাষ্ট্রপতির কাছে B) হাইকোর্ট বিভাগে C) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে D) একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালে 13 / 50 ২৪৯ ধারার অধীনে কার্যক্রম বন্ধ করা কোনো খালাস নয়। ৪০৩ ধারার জন্য এর অর্থ কী? A) ব্যক্তিটিকে অবশ্যই জরিমানা দিতে হবে B) ব্যক্তিটি স্থায়ীভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত C) একই অপরাধের জন্য ব্যক্তিটির পুনরায় বিচার করা যেতে পারে D) ব্যক্তিটির আর বিচার করা যাবে না 14 / 50 ৪৩৯ ধারা কি হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশনের মাধ্যমে খালাসের রায়কে দণ্ডাদেশে রূপান্তর করার ক্ষমতা দেয়? A) শুধুমাত্র হত্যা মামলায় B) শুধুমাত্র যদি সরকার নির্দেশ দেয় C) না, এই ধারার কোনো কিছুই এটি অনুমোদন করে বলে গণ্য হবে না D) হ্যাঁ, যেকোনো সময় 15 / 50 ৩৫০ ধারা পূর্বসূরির সাক্ষ্যের ওপর কাজ করার অনুমতি দেয়। এটি কি হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? A) হ্যাঁ B) শুধুমাত্র রিট পিটিশনের ক্ষেত্রে C) না, ধারাটিতে উল্লেখ আছে "যখনই কোনো ম্যাজিস্ট্রেট..." D) শুধুমাত্র আপিলের ক্ষেত্রে 16 / 50 ৪০২ ধারা অনুযায়ী, দ্বীপান্তরের দণ্ডাদেশ লঘুকরণ করার ক্ষমতা কার: A) হাইকোর্ট B) সরকার C) পুলিশ D) জেলার 17 / 50 ৪৩৯ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ তার নিজ বিবেচনায় রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। হাইকোর্ট বিভাগ কি রিভিশনে সাজা বাড়াতে (enhance) পারে? A) না, কখনোই না B) শুধুমাত্র যদি পুলিশ অনুরোধ করে C) হ্যাঁ, তবে অভিযুক্তকে তার কথা শোনার সুযোগ না দিয়ে তার প্রতি ক্ষতিকর কোনো আদেশ দেওয়া যাবে না D) হ্যাঁ, এবং অভিযুক্তের কথা শোনার প্রয়োজন নেই 18 / 50 ৪০৫ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তির ক্রোক করা সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন (৮৯ ধারার অধীনে) প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, সে কোথায় আপিল করতে পারবে? A) হাইকোর্ট বিভাগে B) যে আদালতে সাধারণত পূর্ববর্তী আদালতের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় C) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে D) কোনো আপিল করা যাবে না 19 / 50 ৪০১(৩) ধারা অনুযায়ী, মওকুফ হওয়া দণ্ডাদেশের শর্ত লঙ্ঘনের দায়ে যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়, তবে তাকে কী ভোগ করার জন্য রিমান্ডে পাঠানো হয়: A) একটি সম্পূর্ণ নতুন দণ্ডাদেশ B) মূল দণ্ডাদেশের দ্বিগুণ C) এক বছরের নির্জন কারাবাস D) দণ্ডাদেশের অবশিষ্ট মেয়াদ 20 / 50 ৪৩৫ ধারার উদ্দেশ্যে (রেকর্ড তলব করার জন্য), সকল ম্যাজিস্ট্রেট (এক্সিকিউটিভ বা জুডিশিয়াল) কার অধস্তন বলে গণ্য হবেন? A) পুলিশ কমিশনার B) ইউনিয়ন চেয়ারম্যান C) দায়রা জজ D) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট 21 / 50 দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তবে আপিল কোথায় করতে হবে (৪০৭ ধারা)? A) হাইকোর্ট বিভাগে B) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে C) দায়রা আদালতে D) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে 22 / 50 ৪১৭(১) ধারা অনুযায়ী, বিচারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা কার আছে? A) তদন্তকারী কর্মকর্তার B) ভিকটিমের পরিবারের C) সরকারের D) প্রধান বিচারপতির 23 / 50 ৩৪৬ ধারা অনুযায়ী, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন যে সাক্ষ্যপ্রমাণ অনুযায়ী জেলার অন্য কোনো সিজেএম দ্বারা মামলাটির বিচার হওয়া উচিত, তবে তিনি কার্যক্রম স্থগিত করে মামলাটি অন্য সিজেএম-এর কাছে জমা দেবেন। গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট কি বিচারের জন্য অভিযুক্তকে দায়রা আদালতে পাঠাতে পারেন? A) শুধুমাত্র হত্যা মামলায় B) শুধুমাত্র যদি পুলিশ অনুরোধ করে C) না D) হ্যাঁ (৩৪৬(২) ধারা) 24 / 50 ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৩৪৪ ধারার অধীনে রিমান্ডের আদেশ অবশ্যই হতে হবে: A) প্রিসাইডিং বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষরিত লিখিত আকারে B) মৌখিক C) সংবাদপত্রে প্রকাশিত D) হাইকোর্ট কর্তৃক অনুমোদিত 25 / 50 ৩৫১ ধারা আদালতকে আদালতে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে আটকে রাখার এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেয়। এটি কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: A) ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির B) শুধুমাত্র সাক্ষীদের C) শুধুমাত্র অভিযোগকারীর D) শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তাদের 26 / 50 ৪১৭এ ধারার অধীনে সাজার অপর্যাপ্ততার বিরুদ্ধে আপিল করা হলে, আপিল আদালত অভিযুক্তকে কোনটি দেওয়ার সুযোগ না দিয়ে সাজা বাড়াবে না? A) ক্ষমা B) সম্পূর্ণ নতুন বিচার C) সাজা কেন বাড়ানো হবে না সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ D) আর্থিক জরিমানা 27 / 50 ৪৩৬ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ ২০৩ ধারার অধীনে খারিজ হওয়া কোনো অভিযোগের বিষয়ে আরও অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোনটি না দিয়ে এমন কোনো নির্দেশ দেওয়া যাবে না? A) একজন আইনজীবী B) আর্থিক ক্ষতিপূরণ C) এমন নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর সুযোগ D) জামিন 28 / 50 ৪২৩(১)(এ) ধারা অনুযায়ী, খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আপিল আদালত কী করতে পারে? A) তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিতে পারে B) উপরের সবগুলো C) অভিযুক্তের পুনরায় বিচার করার আদেশ দিতে পারে D) আদেশটি বাতিল করতে পারে এবং আরও অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে 29 / 50 ৪১৪ ধারা অনুযায়ী, কোনো সংক্ষিপ্ত বিচারে (summary trial) দণ্ডিত ব্যক্তির জরিমানা যদি ৫,০০০ টাকার বেশি না হয়, তবে কি আপিল করা যায়? A) হ্যাঁ, হাইকোর্টে B) শুধুমাত্র যদি পুলিশ রাজি থাকে C) না D) হ্যাঁ, দায়রা আদালতে 30 / 50 ৪১৩ ধারা (ছোটখাটো মামলায় কোনো আপিল নেই) অনুযায়ী, দায়রা আদালত যদি এমন কারাদণ্ড দেয় যা নিচের কোনটির বেশি নয়, তবে কোনো আপিল করা যাবে না? A) শুধুমাত্র তিন মাস B) শুধুমাত্র এক বছর C) শুধুমাত্র এক মাস D) শুধুমাত্র ছয় মাস 31 / 50 ৪১৭(৩) ধারা অনুযায়ী, খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য অভিযোগকারীর সময়সীমা কত দিন? A) আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিন B) আদেশের তারিখ থেকে ১২০ দিন C) আদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিন D) আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিন 32 / 50 ৩৪৫(১) ধারার টেবিল অনুযায়ী, নিচের কোন অপরাধটির আপস-মীমাংসা আদালতের অনুমতি ছাড়াই করা যায়? A) কোনো ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা (ধারা ৩৪২) B) প্রতারণা (ধারা ৪১৭) C) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৬) D) চুরি (ধারা ৩৭৯) 33 / 50 ৪০৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যাকে শান্তি বজায় রাখতে বা সদাচরণের জন্য (১১৮ ধারার অধীনে) মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সে কোথায় আপিল করতে পারবে? A) হাইকোর্ট বিভাগে B) দায়রা আদালতে C) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে D) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে 34 / 50 ৪১৩ ধারা অনুযায়ী, দায়রা আদালত, সিজেএম, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যদি এমন জরিমানা করেন যা নিচের কোনটির বেশি নয়, তবে কোনো আপিল করা যাবে না? A) ৫,০০০ টাকা B) ১,০০০ টাকা C) ১০,০০০ টাকা D) ২,০০০ টাকা 35 / 50 ৪৩১ ধারা অনুযায়ী, আপিলকারীর মৃত্যু হলে আপিলের (জরিমানার দণ্ডাদেশের আপিল ছাড়া) কী হবে? A) এটি দেওয়ানি আদালতে স্থানান্তরিত হবে B) তার উত্তরাধিকারীদের নিয়ে এটি চলতে থাকবে C) রাষ্ট্র এর দায়িত্ব নেবে D) এটি চূড়ান্তভাবে বাতিল (abates) হয়ে যাবে 36 / 50 ৩৪০(৩) ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত তার নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে, তার বিরুদ্ধে কোনো অনুমান তৈরি হবে না। এটি তার কোন অধিকার রক্ষা করে: A) অত্যধিক জামিন B) আত্ম-অপরাধীকরণ (Self-incrimination) C) বেআইনি গ্রেফতার D) ডাবল জেপার্ডি 37 / 50 ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেওয়া হলে কী হয়? A) তাদের সামরিক একাডেমিতে পাঠানো হয় B) আদালত ফৌজদারি কারাগারের পরিবর্তে তাদের সংশোধনাগারে রাখার নির্দেশ দিতে পারে C) তাদের পরিবর্তে জরিমানা করা হয় D) তাদের মুক্তি দেওয়া হয় 38 / 50 ৪০৪ ধারা অনুযায়ী, কোনো ফৌজদারি আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত সাধারণ নিয়ম কী? A) ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) বা অন্য কোনো আইনে বিধান না থাকলে কোনো আপিল করা যাবে না B) হাইকোর্টকে সব আপিল শুনতে হবে C) প্রতিটি ক্ষেত্রেই আপিল করা যায় D) শুধুমাত্র হত্যা মামলায় আপিল অনুমোদিত 39 / 50 সাধারণত, যুগ্ম দায়রা জজ, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করতে হয় (৪০৮ ধারা)? A) হাইকোর্ট বিভাগে B) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে C) দায়রা জজের কাছে D) সুপ্রিম কোর্টে 40 / 50 ৩৯৭ ধারার নিয়মটি, যে অনুযায়ী পরবর্তী দণ্ডাদেশ পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শুরু হয়, তার উদ্দেশ্য কী প্রতিরোধ করা: A) ডাবল জেপার্ডি B) দণ্ডাদেশগুলো একই সাথে চলা (যদি না নির্দেশ দেওয়া হয়) C) জরিমানার ওভারল্যাপিং D) অভিযুক্তের পলায়ন 41 / 50 ৩৩৯বি(১) ধারার অধীনে অনুপস্থিতিতে বিচার (trial in absentia) করার জন্য, প্রকাশনায় ব্যক্তিকে কত দিনের মধ্যে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিতে হবে: A) ১৫ দিন B) আদেশে যে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হবে সেই সময়ের মধ্যে C) ৭ দিন D) ৬০ দিন 42 / 50 ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, আদালতকে অবশ্যই মামলা সম্পর্কে অভিযুক্তকে সাধারণভাবে প্রশ্ন করতে হবে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের পরীক্ষা করার পর এবং কখন: A) তাকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ডাকার আগে B) অভিযোগ গঠনের আগে C) পুলিশ রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগে D) রায় লেখার আগে 43 / 50 ৪২৬(১) ধারা অনুযায়ী, দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় আপিল আদালত কী করতে পারে? A) তার সাজা অবিলম্বে বাড়িয়ে দিতে পারে B) তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে C) তাকে নির্জন কারাবাসে পাঠাতে পারে D) দণ্ডাদেশ কার্যকর করা স্থগিত করার আদেশ দিতে পারে এবং তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে 44 / 50 ৪২৩(১)(বি) ধারা অনুযায়ী, দণ্ডাদেশের (CONVICTION) বিরুদ্ধে আপিলে আপিল আদালত নিচের কোন কাজটি করতে পারে না? A) সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশ বাতিল করে অভিযুক্তকে খালাস দিতে B) সাজা কমাতে C) সাজা বহাল রেখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে D) সাজা বাড়াতে (Enhance) 45 / 50 ৩৯৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো পলাতক কয়েদিকে জরিমানা করা হলে, তা কার্যকর হয়: A) যখন তাকে আবার ধরা হয় B) অবিলম্বে C) কখনোই না D) তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর 46 / 50 ৪২৯ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালতের বিচারকদের মতামত যদি সমানভাবে বিভক্ত হয়, তবে কী হবে? A) মামলাটি খারিজ হয়ে যাবে B) অভিযুক্ত খালাস পাবে C) প্রসিকিউশন জিতবে D) মামলাটি একই আদালতের অন্য একজন বিচারকের কাছে পেশ করা হবে, এবং তার মতামতই প্রাধান্য পাবে 47 / 50 ৪২১ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালত কি কোনো আপিল সংক্ষেপে (summarily) খারিজ করতে পারে যদি আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই? A) হ্যাঁ B) শুধুমাত্র যদি আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে C) শুধুমাত্র হত্যা মামলায় D) না, অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ শুনানি করতে হবে 48 / 50 ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা কোনো মামলায় যদি অভিযুক্ত খালাস পায়, তবে অভিযোগকারী ৪১৭(২) ধারা অনুযায়ী আপিল করতে পারবেন যদি আদেশটিতে থাকে: A) একটি ছোটখাটো তথ্যগত ভুল B) বিচারে বিলম্ব C) আইনের এমন কোনো ভুল যার কারণে ন্যায়বিচারে বিঘ্ন ঘটেছে D) যেকোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি 49 / 50 ৪১২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি দোষ স্বীকার করে এবং দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডিত হয়, তবে আপিল শুধুমাত্র কোন বিষয়ে করা যাবে? A) দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা বৈধতা নিয়ে B) মামলার ঘটনা (facts) সম্পর্কে C) পুলিশের তদন্ত নিয়ে D) কোনো অবস্থাতেই আপিল করা যাবে না 50 / 50 ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট A-এর বিরুদ্ধে B-কে আঘাত করার অভিযোগ এনে তাকে দণ্ডিত করেন। আঘাতের কারণে পরে B মারা যায়। A-এর বিরুদ্ধে দণ্ডনীয় নরহত্যার বিচার করা যেতে পারে কারণ: A) ম্যাজিস্ট্রেট ভুল করেছিলেন B) দণ্ডিত হওয়ার সময় ফলাফল (মৃত্যু) ঘটেনি (৪০৩(৩) ধারা) C) পুলিশ আপিল করেছিল D) খুন জামিন-অযোগ্য Your score isThe average score is 18% 0% Send feedback Facebook X LinkedIn Pinterest Messenger Messenger WhatsApp Telegram Share via Email Print