Evidence Act MCQ Model Test বাংলা | বার কাউন্সিল প্রস্তুতি ২০২৬

Updated for 2026

সাক্ষ্য আইন (Evidence Act) MCQ মডেল টেস্ট – বার কাউন্সিল প্রস্তুতি

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল (Bangladesh Bar Council) এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (BJS) পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন ১৮৭২-এর উপর পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে আইন প্রকাশ-এর এক্সক্লুসিভ ১৩টি র‍্যান্ডম এমসিকিউ (MCQ) মডেল টেস্টে আজই অংশগ্রহণ করুন।

আমাদের মডেল টেস্ট তালিকা

মডেল টেস্ট ০১

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ০২

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ০৩

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ০৪

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ০৫

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ০৬

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ০৭

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ০৮

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ০৯

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ১০

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ১১

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ১২

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

মডেল টেস্ট ১৩

৫০ টি প্রশ্ন

পরীক্ষা দিন ⟶

সাক্ষ্য আইন (Evidence Act): বিচার প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি ও প্রস্তুতির গাইড

সাক্ষ্য আইন কী?

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) বাংলাদেশের দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় বিচার প্রক্রিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। আদালতে বিচার্য বিষয় (Fact in Issue) কীভাবে প্রমাণ বা অপ্রমাণ করতে হবে, কোন বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক (Relevant Fact), কোন ধরনের সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য (Admissible) এবং প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of Proof) কার উপর বর্তাবে—তার বিস্তারিত আইনি দিকনির্দেশনা এই আইনে রয়েছে। স্যার জেমস স্টিফেনের (Sir James Fitzjames Stephen) তৈরি করা এই আইনে ৩টি খণ্ড, ১১টি অধ্যায় এবং ১৬৭টি ধারা রয়েছে। এটি এমন একটি আইন যা বিচারকের সামনে সত্য উদঘাটনের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

Admission এবং Confession

সাক্ষ্য আইনের সবচেয়ে কনফিউজিং কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দুটি টপিক হলো Admission (স্বীকৃতি) এবং Confession (দোষ স্বীকারোক্তি)। ধারা ১৭-এর অধীনে Admission হলো এমন একটি বিবৃতি যা বিচার্য বিষয় সম্পর্কে কোনো অনুমানের সৃষ্টি করে এবং এটি দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলায় প্রযোজ্য। অন্যদিকে, Confession হলো কোনো অপরাধে নিজের সংশ্লিষ্টতা সরাসরি স্বীকার করা, যা শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলায় প্রযোজ্য (ধারা ২৪-৩০)। মনে রাখতে হবে, পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ করা যায় না (ধারা ২৫), তবে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য (ধারা ২৬)।

Burden of Proof (প্রমাণের দায়িত্ব)

আদালতে কে কোনো ঘটনা প্রমাণ করবে তা Burden of Proof বা প্রমাণের দায়িত্বের (ধারা ১০১-১১৪) ওপর নির্ভর করে। সাধারণ নিয়ম হলো “যিনি দাবি করেন, তাকেই প্রমাণ করতে হয়” (ধারা ১০১)। फौजদারি মামলায় আসামিকে দোষী প্রমাণ করার দায়িত্ব সবসময় রাষ্ট্রপক্ষের (Prosecution) উপর থাকে। তবে আসামি যদি দাবি করে যে সে ঘটনার সময় অন্য কোথাও ছিল (Alibi – ধারা ১১) বা সে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছে (ধারা ১০৫), তবে তা প্রমাণের দায়িত্ব আসামির নিজের উপরই বর্তায়।

Estoppel (স্বীকৃতিজনিত বাধা)

Estoppel বা এস্টোপেল নীতি (ধারা ১15) হলো দেওয়ানী আইনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী বিধান। এই নীতি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি তার কথা বা কাজের মাধ্যমে অন্য কাউকে কোনো বিষয় বিশ্বাস করায় এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে প্ররোচিত করে, তবে পরবর্তীতে কোনো মামলায় সে ওই কথা অস্বীকার করতে বা তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারবে না।

Dying Declaration (মৃত্যুকালীন ঘোষণা)

মৃত্যুর আগে কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর কারণ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে যে বিবৃতি দেয়, তাকে Dying Declaration বলে (ধারা ৩২(১))। ব্যক্তি মারা গেলে এটি আদালতে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একটি সাক্ষ্য, কারণ আইন মনে করে “একজন মুমূর্ষু ব্যক্তি কখনো মিথ্যা বলে না” (Nemo moriturus praesumitur mentiri)।

Oral Evidence বনাম Documentary Evidence

সাক্ষ্য মূলত দুই ধরনের হতে পারে: Oral Evidence (মৌখিক সাক্ষ্য) এবং Documentary Evidence (দালিলিক সাক্ষ্য)। ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ (Direct) হতে হবে। অর্থাৎ সাক্ষী যা নিজে দেখেছে, শুনেছে বা অনুভব করেছে, শুধু সেটাই সাক্ষ্য হিসেবে দিতে পারবে; শোনা কথা (Hearsay) গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে দালিলিক সাক্ষ্য প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary Evidence (মূল দলিল – ধারা ৬২) সবসময় গৌণ সাক্ষ্য বা Secondary Evidence (কপি বা ফটোকপি – ধারা ৬৩) এর চেয়ে উত্তম হিসেবে বিবেচিত হয়।

পরীক্ষায় সাক্ষ্য আইনের গুরুত্ব ও প্রস্তুতি

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষায় সাক্ষ্য আইন থেকে ১৫ নম্বরের প্রশ্ন আসে। এই আইনের প্রস্তুতি নিতে হলে কোনোভাবেই শুধু ধারা মুখস্থ করা যাবে না, আইনের মূল ভিত্তি বা লজিক বুঝতে হবে। বিশেষ করে Expert Opinion (বিশেষজ্ঞের মতামত – ধারা ৪৫), বোবা সাক্ষী (ধারা ১১৯), এবং জেরায় Leading Question (ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন – ধারা ১৪৩) করার নিয়মগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। কনসেপ্ট ক্লিয়ার করার পর আমাদের প্ল্যাটফর্মের ১৩টি এক্সক্লুসিভ Evidence Act MCQ Model Test বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলের বিভ্রান্তি অনেকটাই কেটে যাবে।

অন্যান্য সকল আইনের সম্মিলিত প্রস্তুতি যাচাই করতে আমাদের মূল পিলারে ফিরে যান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পূর্ণাঙ্গ MCQ মডেল টেস্ট

গুরুত্বপূর্ণ ২০টি Evidence Act MCQ (নমুনা প্রশ্ন)

বার কাউন্সিল ও জুডিশিয়ারি পরীক্ষার জন্য সাক্ষ্য আইন থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ২০টি প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

১. সাক্ষ্য আইন (Evidence Act) কত সালে প্রণীত হয়?

উত্তর: ১৮৭২ সালে

২. সাক্ষ্য আইনের খসড়া কে তৈরি করেন?

উত্তর: স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন (Sir James Fitzjames Stephen)

৩. সাক্ষ্য আইন কবে থেকে কার্যকর হয়?

উত্তর: ১ সেপ্টেম্বর ১৮৭২

৪. ‘Fact in Issue’ (বিচার্য বিষয়) এর সংজ্ঞা কোন ধারায়?

উত্তর: ধারা ৩

৫. Res Gestae (একই কাজের অংশ) নীতিটি কোন ধারায় বর্ণিত?

উত্তর: ধারা ৬

৬. ‘Alibi’ (অন্যত্র থাকার অজুহাত) কোন ধারার বিধান?

উত্তর: ধারা ১১

৭. Admission (স্বীকৃতি) এর সংজ্ঞা কোন ধারায়?

উত্তর: ধারা ১৭

৮. পুলিশের কাছে দেওয়া Confession (স্বীকারোক্তি) কি প্রমাণ করা যায়?

উত্তর: না (ধারা ২৫ অনুযায়ী)

৯. Dying Declaration (মৃত্যুকালীন ঘোষণা) কোন ধারায়?

উত্তর: ধারা ৩২(১)

১০. Expert Opinion (বিশেষজ্ঞের মতামত) কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক?

উত্তর: ধারা ৪৫

১১. Oral Evidence (মৌখিক সাক্ষ্য) অবশ্যই কেমন হতে হবে?

উত্তর: প্রত্যক্ষ (Direct) হতে হবে (ধারা ৬০)

১২. Documentary Evidence (দালিলিক সাক্ষ্য) কত প্রকার?

উত্তর: ২ প্রকার (Primary এবং Secondary)

১৩. Public Document (সরকারি দলিল) সম্পর্কে কোন ধারায় বলা হয়েছে?

উত্তর: ধারা ৭৪

১৪. Burden of Proof (প্রমাণের দায়িত্ব) মূলত কার উপর বর্তায়?

উত্তর: যে ব্যক্তি আদালতের কাছে কোনো অধিকার বা দায় দাবি করে (ধারা ১০১)

১৫. Estoppel (স্বীকৃতিজনিত বাধা) এর বিধান কোন ধারায়?

উত্তর: ধারা ১১৫

১৬. Accomplice (দুষ্কর্মের সহযোগী) কি যোগ্য সাক্ষী?

উত্তর: হ্যাঁ (ধারা ১৩৩)

১৭. বোবা সাক্ষী (Dumb Witness) কীভাবে সাক্ষ্য দিতে পারে?

উত্তর: লিখে বা ইশারায় (ধারা ১১৯)

১৮. Leading Question (ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন) কখন করা যায়?

উত্তর: জেরায় (Cross Examination – ধারা ১৪৩)

১৯. Hostile Witness (বৈরী সাক্ষী) ঘোষণার বিধান কোন ধারায়?

উত্তর: ধারা ১৫৪

২০. সাক্ষ্য আইনে মোট কতটি ধারা আছে?

উত্তর: ১৬৭টি ধারা

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) – Evidence Act

সাক্ষ্য আইন বা Evidence Act কী?
সাক্ষ্য আইন হলো একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law) যা আদালতে কোনো বিষয় প্রমাণের নিয়মকানুন নির্ধারণ করে। কোন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য এবং কোনটি নয় তা এই আইনের মাধ্যমেই ঠিক করা হয়।
বার কাউন্সিলে Evidence Act থেকে কত মার্কস আসে?
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষায় সাক্ষ্য আইন থেকে মোট ১৫ মার্কসের প্রশ্ন আসে।
Admission এবং Confession এর মধ্যে পার্থক্য কী?
Admission বা স্বীকৃতি (ধারা ১৭) দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলায় প্রযোজ্য। কিন্তু Confession বা দোষ স্বীকারোক্তি (ধারা ২৪) শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলায় প্রযোজ্য। সব Confession-ই Admission, কিন্তু সব Admission Confession নয়।
Dying Declaration বা মৃত্যুকালীন ঘোষণা কী?
মৃত্যুর আগে কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর কারণ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে যে বিবৃতি দেয়, তাকে Dying Declaration বলে (ধারা ৩২(১))। ব্যক্তি মারা গেলে এটি আদালতে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য।
Burden of Proof বা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
সাধারণত যে ব্যক্তি মামলা দায়ের করে বা আদালতের কাছে কোনো রায় দাবি করে, প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of Proof – ধারা ১০১) তার উপরই বর্তায়। ফৌজদারি মামলায় এটি সবসময় রাষ্ট্রপক্ষের উপর থাকে।
Estoppel বা এস্টোপেল নীতি কী?
ধারা ১১৫ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি তার কথা বা কাজের মাধ্যমে অন্য কাউকে কোনো বিষয় বিশ্বাস করায়, তবে পরবর্তীতে সে ওই কথা অস্বীকার করতে পারবে না। একেই Estoppel বা স্বীকৃতিজনিত বাধা বলে।
Expert Opinion বা বিশেষজ্ঞের মতামত কখন প্রাসঙ্গিক?
বিদেশি আইন, বিজ্ঞান, চারুকলা, হাতের লেখা বা টিপসহি সম্পর্কে আদালতের যখন কোনো বিশেষ মতামতের প্রয়োজন হয়, তখন ওই বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তির মতামত গ্রহণযোগ্য (ধারা ৪৫)।
Oral Evidence বা মৌখিক সাক্ষ্য কেমন হতে হবে?
ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ (Direct) হতে হবে। অর্থাৎ সাক্ষী যা নিজে দেখেছে, শুনেছে বা অনুভব করেছে, শুধু সেটাই সাক্ষ্য হিসেবে দিতে পারবে। শোনা কথা (Hearsay) গ্রহণযোগ্য নয়।
Documentary Evidence বা দালিলিক সাক্ষ্য কী?
আদালতে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত যেকোনো দলিলকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। এটি ২ প্রকার: Primary Evidence (মূল দলিল) এবং Secondary Evidence (দলিলের কপি বা ফটোকপি)।
Fact in Issue এবং Relevant Fact এর পার্থক্য কী?
Fact in Issue (বিচার্য বিষয়) হলো সেই মূল বিষয় যা নিয়ে পক্ষদের মধ্যে বিবাদ। আর Relevant Fact (প্রাসঙ্গিক বিষয়) হলো সেই বিষয় যা সরাসরি বিচার্য না হলেও বিচার্য বিষয়কে প্রমাণ বা অপ্রমাণ করতে সাহায্য করে।
Leading Question বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন কখন করা যায়?
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তরের ইঙ্গিত থাকে তাকে Leading Question বলে। এটি জবানবন্দিতে করা যায় না, তবে জেরায় (Cross Examination) অবশ্যই করা যায় (ধারা ১৪৩)।
Hostile Witness বা বৈরী সাক্ষী কাকে বলে?
যে সাক্ষী আদালতে হাজির হওয়ার পর নিজের পক্ষের (যিনি তাকে ডেকেছেন) বিরুদ্ধেই সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করে, তাকে Hostile Witness বলে (ধারা ১৫৪)।
Accomplice বা দুষ্কর্মের সহযোগী কি যোগ্য সাক্ষী?
হ্যাঁ, ধারা ১৩৩ অনুযায়ী দুষ্কর্মের সহযোগী একজন যোগ্য সাক্ষী। তবে অন্য কোনো সাক্ষ্য দ্বারা সমর্থিত না হলে শুধুমাত্র তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
সাক্ষ্য আইনে কি Affidavit (হলফনামা) প্রযোজ্য?
না, সাক্ষ্য আইনের ১ ধারা অনুযায়ী হলফনামা বা এফিডেভিট এবং আরবিট্রেটরদের সামনে কোনো কার্যধারায় এই আইন প্রযোজ্য নয়।
Evidence Act MCQ প্রস্তুতির সেরা উপায় কী?
সাক্ষ্য আইনের ধারাগুলো খুবই লজিক্যাল। তাই শুধু ধারা মুখস্থ না করে এর কনসেপ্ট ও মূল নীতিগুলো বুঝতে হবে। এরপর আমাদের প্ল্যাটফর্মের মতো র‍্যান্ডম MCQ মডেল টেস্ট বেশি বেশি অনুশীলন করতে হবে।

Advocate MD. Rashedujjaman Rashed

অ্যাডভোকেট মো. রাশেদুজ্জামান রাশেদ (MD. Rashedujjaman Rashed)

Legal Educator | Founder, Ain Prokash & Spark Advocates

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (DIU) থেকে এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করে বর্তমানে নীলফামারী জজ কোর্টে আইন পেশায় নিযুক্ত আছেন। শিক্ষার্থীদের বার কাউন্সিল ও জুডিশিয়ারি প্রস্তুতি সহজ ও নির্ভুল করতে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।

Back to top button