বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে সরকারের হস্তক্ষেপ নেই: সংসদে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, বার কাউন্সিল একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের পয়েন্ট অব অর্ডারে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধ এবং আসন্ন ঢাকা বার নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বার কাউন্সিল নির্বাচন পেছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংসদ সদস্য আখতার হোসেন নির্বাচন স্থগিতের পেছনে বিদ্যুৎ সংকট বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুললে আইনমন্ত্রী তা নাকচ করে দেন।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনের মধ্যে থাকা ‘অন্য যেকোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ’ বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু প্যান্ডেমিক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, যৌক্তিক অন্যান্য কারণেও নির্বাচন পেছানো সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা বার এশিয়ার বৃহত্তম বার অ্যাসোসিয়েশনগুলোর একটি, যেখানে ২২ হাজারের বেশি আইনজীবী রয়েছেন। তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া সামনে রেখে সময় পরিবর্তনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যা বার কাউন্সিল বিবেচনায় নিয়েছে।
আইনমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, জ্বালানি সংকট বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নির্বাচন পেছানো হয়েছে—এমন অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বার কাউন্সিল নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেয় এবং একটি স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়।
আইনজীবীদের দাবি এবং নির্বাচনী পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতে বার কাউন্সিল তাদের নিজস্ব বিবেচনায় সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও তিনি জানান।


