এজমালী জমিতে বাটোয়ারা ছাড়া নির্দিষ্ট অংশে খাস দখল ও কমিশনার রিপোর্টের আইনি মর্যাদা: হাইকোর্ট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ৫৪ পৃষ্ঠার এক সুবিস্তৃত ও ঐতিহাসিক রায়ে স্বত্ব ঘোষণা ও খাস দখল উদ্ধার (Declaration of Title and Recovery of Khas Possession) মোকদ্দমায় একাধিক মৌলিক আইনি নীতি নির্ধারণ করেছেন। হাইকোর্ট আপিল বিভাগের কর্তৃত্বপূর্ণ নজিরসমূহ পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, (১) কোনো অবিভক্ত এজমালী সম্পত্তির (Undivided Ejmali Property) নির্দিষ্ট খণ্ডাংশে বাটোয়ারা (Partition Suit) মোকদ্দমা ছাড়া নিছক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একক খাস দখলের ডিক্রি চাওয়া আইনত অচল (২০ বিএলসি (এডি) ৭৫ ও ৪৩ ডিএলআর (এডি) ৮৭); (২) দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশ ৩ বিধির (Order VII Rule 3 CPC) বিধান অলঙ্ঘনীয়— নালিশি জমির সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও স্পষ্ট চৌহদ্দি প্রদর্শন ছাড়া অস্পষ্ট আরজির ভিত্তিতে কোনো রায় বা ডিক্রি দেওয়া যায় না (১১ এলএম (এডি) ২৬); (৩) দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশ ১০(২) বিধি অনুযায়ী একজন অ্যাডভোকেট কমিশনারের স্থানীয় তদন্ত প্রতিবেদন কোনো স্বয়ংসম্পূর্ণ ডিক্রি নয়, এটি নিছক একটি সাক্ষ্যমাত্র; কমিশনারের রিপোর্ট কখনোই পক্ষগণের মৌখিক ও দালিলিক সাক্ষ্যের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পেতে পারে না (১৩ এএলআর (এডি) ৩৩ ও ৬৪ ডিএলআর (এডি) ১২৭); এবং (৪) সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা মতে বেদখলের সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হবে, জনশ্রুতিমূলক (Hearsay) সাক্ষ্যে খাস দখল পাওয়া যায় না।
মামলাটি রাজশাহী জেলার পবা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ২০১৩ সালে দায়েরকৃত স্বত্ব ঘোষণা ও খাস দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা Other Class Suit No. 84 of 2013 থেকে উদ্ভূত।
মামলার মূল ঘটনা ও দীর্ঘ বিচারিক পরিক্রমা নিম্নরূপ:
- মূল মালিকানা ও অসিয়তনামা: আর.এস. রেকর্ডীয় প্রজা ইসলাম শেখ তার ৫ পুত্রের মধ্যে ভবিষ্যৎ বিরোধ এড়াতে ১৯৯১ সালে ৪৬ নম্বর রেজিস্ট্রিকৃত অসিয়তনামা সম্পাদন করেন। ইসলাম শেখের মৃত্যুর পর তার পুত্র আলেফ শেখ ‘ক’ তফসিলে অসিয়তনামামূলে স্বত্ববান হয়ে দখলে যান। পরবর্তীতে আলেফ শেখ উক্ত জমি ২০১২ সালে হেবা দলিলের মাধ্যমে তার কন্যা মোছা: আলিয়াকে (বর্তমান দরখাস্তকারী) হস্তান্তর করেন।
- বেদখলের অভিযোগ ও মামলার সূত্রপাত: বাদীপক্ষ অভিযোগ তোলে যে অপর ভাই ছাইদুর রহমান (বিবাদী) নালিশি জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে টিনের ঘর নির্মাণপূর্বক ২০১৩ সালের ৭ মে তারিখে ২ শতাংশ জমি থেকে তাদের বেদখল করেছে। পরবর্তীতে আরজি সংশোধন করে বেদখলকৃত জমির পরিমাণ ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪ শতাংশ করা হয়।
- বিবাদীর লিখিত জবাব ও এজমালী স্বত্বের দাবি: বিবাদী ছাইদুর রহমান লিখিত জবাবে জানান, পিতার অসিয়তনামামূলে তিনি তার অংশে ঘরবাড়ি তৈরি করে দখলে আছেন এবং অপর ভাই হেলালের অংশও ২০১১ সালে রেজিস্ট্রি কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেছেন। তিনি জোরপূর্বক বেদখলের অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে ৫ ভাইয়ের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক বাটোয়ারা হয়নি, সম্পত্তি এজমালী রয়েছে এবং বাদীর আরজির চৌহদ্দি ও হ্যান্ডস্কেচ ম্যাপ সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও পরস্পরবিরোধী।
- সহকারী জজ আদালত কর্তৃক মামলা খারিজ: পবা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ২০১৮ সালের ৩১ মে দীর্ঘ বিচার শেষে সিদ্ধান্ত দেন যে বাদী তার পূর্ববর্তী দখল ও বেদখলের সুনির্দিষ্ট তারিখ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নালিশি জমির চৌহদ্দি নিশ্চিত করতে পারেননি। ফলে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়।
- বিশেষ জেলা জজ আদালত কর্তৃক আপিল খারিজ: উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে বাদী রাজশাহী জেলা জজ আদালতে Title Appeal No. 140 of 2018 দায়ের করলে ১ম বিশেষ জেলা জজ ২০২১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল খারিজ করে ট্রায়াল কোর্টের রায় ও ডিক্রি সম্পূর্ণ বহাল রাখেন।
- হাইকোর্টে দেওয়ানী রিভিশন: উভয় আদালতের সমবর্তী খারিজ রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে মোছা: আলিয়া হাইকোর্ট বিভাগে Civil Revision No. 67 of 2022 দায়ের করেন।
🏛️ দরখাস্তকারী বাদীর যুক্তি (Petitioner)
- কমিশনারের রিপোর্ট বাদীর অনুকূলে: ট্রায়াল কোর্ট নিযুক্ত অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন তদন্ত করে বাদীর দাবিকৃত অংশের দখলচ্যুতি শনাক্ত করেছেন এবং বিবাদী তাতে কোনো আপত্তি দেয়নি (২৬ আদেশ ১০(২) বিধি)।
- অসিয়তনামার শর্ত স্বীকৃত: বিবাদীপক্ষ পিতার ১৯৯১ সালের অসিয়তনামা স্বীকার করেছে; অসিয়তনামার চৌহদ্দি অনুযায়ী বাদীর পিতা সুনির্দিষ্ট অংশ পেয়েছিলেন।
- বিকল্পে রিমান্ডের প্রার্থনা: যদি নিম্ন আদালতের রায়ে তথ্যগত অস্পষ্টতা থাকে, তবে ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলাটি ট্রায়াল কোর্টে পুনর্বিচারের জন্য রিমান্ডে পাঠানো হোক।
🛡️ প্রতিপক্ষ বিবাদীর প্রতিরক্ষা যুক্তি (Opposite Party)
- বাটোয়ারা ছাড়া খাস দখল অচল: জমিটি ৫ ভাইয়ের অবিভক্ত এজমালী জোত। সহ-শরিকদের মধ্যে বাটোয়ারা ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট খণ্ডের খাস দখল চাওয়া যায় না (২০ বিএলসি (এডি) ৭৫)।
- ৭ আদেশ ৩ বিধির চরম লঙ্ঘন: আরজিতে প্রথমে ২ শতাংশ পরে ৪ শতাংশ দাবি করা হলেও নকশা বা চৌহদ্দি সংশোধন করা হয়নি; জমি অনির্ধারিত (১১ এলএম (এডি) ২৬)।
- জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য অগ্রহণযোগ্য: পিডব্লিউ ১ (বাদিনী) নিজে বেদখল প্রত্যক্ষ করেননি; তিনি বাবার কাছে শুনেছেন বলেছেন, যা সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় সম্পূর্ণ বাতিল।
দেওয়ানী বিচারে স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমায় আরজির বর্ণনা ও কমিশনারের প্রতিবেদনের আইনগত মর্যাদা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও সংবেদনশীল।
১. আপিল বিভাগের নজির: এম. দেলোয়ার হোসেন বনাম মোহাম্মদ আলী (১১ এলএম (এডি) ২৬):
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশ ৩ বিধি অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির আরজিতে এমন বর্ণনা থাকতে হবে যাতে সম্পত্তিটি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়। আপিল বিভাগ সুনির্দিষ্ট নীতি দিয়েছেন—
“Where the schedules to the plaint from where the plaintiffs were allegedly dispossessed are totally vague and unspecified and the description does not fulfil the mandatory requirements of Order VII, Rule 3 CPC, the plaintiffs are not entitled to get any relief in the suit.”
মাননীয় বিচারপতি আব্দুর রহমান ৫৪ পৃষ্ঠার বিস্তারিত রায়ে নথিপত্র এবং উচ্চ আদালতের পূর্ববর্তী নজিরসমূহ পর্যালোচনা করে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তসমূহ লিপিবদ্ধ করেন:
ক. অবিভক্ত এজমালী সম্পত্তিতে স্বত্ব ঘোষণার সীমাবদ্ধতা (Ejmali Land & Partition):
হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মোড়ঘোরানো সিদ্ধান্তসমূহ উদ্ধৃত করেন— ২০ বিএলসি (এডি) ৭৫ এবং ৪৩ ডিএলআর (এডি) ৮৭। যৌথ এজমালী সম্পত্তির ক্ষেত্রে সকল সহ-শরিকের প্রতিটি ধূলিকণায় অবিভক্ত স্বত্ব থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক বাটোয়ারা ডিক্রি না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো সহ-শরিক নির্দিষ্ট কোনো কম্প্যাক্ট সাহামে খাস দখল দাবি করতে পারে না। এমন ক্ষেত্রে একমাত্র সঠিক প্রতিকার হলো পূর্ণাঙ্গ বাটোয়ারা মোকদ্দমা (Partition Suit) দায়ের করা।
খ. অ্যাডভোকেট কমিশনারের রিপোর্টের সীমাবদ্ধতা: আবদুন নূর বনাম আজিরউদ্দিন (১৩ এএলআর এডি ৩৩):
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশ ১০(২) বিধির ব্যাখ্যায় আপিল বিভাগ সুস্পষ্ট করেছেন— তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে গৃহীত হলেও তা চূড়ান্ত ডিক্রি নয়, এটি একটি প্রমাণ মাত্র। কমিশনারকে ট্রায়ালে জেরা করা হয়নি এবং কমিশনারের চিহ্নিত ২ শতাংশের সাথে সংশোধিত আরজির ৪ শতাংশের কোনো মিল ছিল না। তদুপরি কমিশনের কাজ হলো ভূমির ভৌত অবস্থান দেখা, পক্ষগণের দখল বা বেদখলের চূড়ান্ত বিচার করা কমিশনারের এখতিয়ারবহির্ভূত।
গ. সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা: জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্যের অসারতা (Hearsay Evidence):
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। বাদিনী পিডব্লিউ ১ জেরার সময় অকপটে স্বীকার করেন যে তিনি নিজে বেদখল হওয়ার ঘটনা দেখেননি, তিনি পিতার মুখে শুনেছেন। তদুপরি মূল দাতা পিতা হেবা দলিল করে দেওয়ার পর নিজে মামলা চালানোর কোনো আইনি অধিকার রাখেননি। অন্যান্য সাক্ষীদের বক্তব্যেও বেদখলের তারিখ ও ঘটনার কোনো বিশ্বাসযোগ্য মিল পাওয়া যায়নি।
ঘ. রিভিশনে সমবর্তী তথ্যের রায়ে হস্তক্ষেপ না করা ও বিকল্প রিমান্ড নাকচ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫(১) ধারার অধীন রিভিশনাল কোর্ট কোনো আপিল আদালত নয় যে নতুন করে সাক্ষ্যের মূল্যায়ন করবে। অধস্তন উভয় আদালত সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে বাস্তব সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে মামলা খারিজ করেছেন। কোনো অনিষ্পন্ন আইনি বিষয় না থাকায় বাদীর ফাঁকফোকর পূরণের জন্য মামলা রিমান্ডে পাঠানোর বিকল্প প্রার্থনাও হাইকোর্ট সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন।
- রুল খারিজ (Rule Discharged): মোছা: আলিয়ার দায়েরকৃত দেওয়ানী রিভিশন আবেদন গুণাগুণ বিবেচনা করে সম্পূর্ণ মেধা ও মেরিটহীন হিসেবে সরাসরি খারিজ করা হলো।
- সমবর্তী রায় ও ডিক্রি বহাল: পবা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত এবং রাজশাহীর ১ম বিশেষ জেলা জজ আদালতের মামলা খারিজের সমবর্তী রায় ও ডিক্রি সম্পূর্ণরূপে আইনসম্মত ঘোষণা করে বহাল রাখা হলো।
- রিমান্ডের আবেদন চূড়ান্তভাবে নাকচ: মামলাটি ট্রায়াল বা আপিল আদালতে রিমান্ডে পাঠানোর বিকল্প প্রার্থনা আইনগত ভিত্তির অভাবে সরাসরি বাতিল করা হলো।
- খরচবিহীন আদেশ: কোনো পক্ষকেই খরচার আদেশ দেওয়া হলো না এবং নিম্ন আদালতের নথি অবিলম্বে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এই রায়ের মৌলিক আইনি নীতিসমূহ (Core Legal Principles):
- এজমালী জমিতে বাটোয়ারা পূর্বশর্ত: সহ-শরিকদের মধ্যে সম্পত্তির বৈধ বণ্টননামা বা বাটোয়ারা ডিক্রি না থাকলে কোনো নির্দিষ্ট প্লট বা অংশে খাস দখলের ডিক্রি লাভ করা অসম্ভব।
- ৭ আদেশ ৩ বিধির কঠোরতা: নালিশি জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করলে আরজির তফশিল, চৌহদ্দি ও হ্যান্ডস্কেচ ম্যাপ সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সংশোধন করা বাধ্যতামূলক; অস্পষ্ট চৌহদ্দির মামলা আদালত বাতিল করতে বাধ্য।
- কমিশনারের রিপোর্টের মর্যাদা: লোকাল ইনভেস্টিগেশন রিপোর্ট কোনো আদালতের বিকল্প নয়; মূল দলিলের অসঙ্গতি এবং আরজির অস্পষ্টতা দূর করার দায়িত্ব কমিশনারের রিপোর্টের নয়।
- পূর্ববর্তী দখল ও বেদখলের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ: খাস দখল চাইতে হলে পূর্ববর্তী দখল এবং বেদখলের সুনির্দিষ্ট তারিখ প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে; জনশ্রুতিভিত্তিক বক্তব্যে ডিক্রি হয় না।
পারিবারিক সম্পত্তিতে দখল নিয়ে বিরোধ হলে সরাসরি খাস দখলের মামলা না করে সহ-শরিকদের বিরুদ্ধে বাটোয়ারা (Partition Suit) দায়ের করে সুনির্দিষ্ট সাহাম চান।
জমির পরিমাণ ২ থেকে ৪ শতাংশ করলে সাথে সাথে চারপাশের সীমানা ও স্কেচ ম্যাপ যথাযথভাবে সংশোধন করান, অন্যথায় ৭ আদেশ ৩ বিধিতে মামলা বাতিল হবে।
কমিশনারের রিপোর্টকে স্বত্ব ও দখলের একমাত্র ভিত্তি ভাববেন না; সাক্ষীদের কাঠগড়ায় এনে স্বত্ব ও দখলের স্বাধীন সাক্ষ্য প্রদান নিশ্চিত করুন।
যিনি নিজের চোখে বেদখলের ঘটনা দেখেছেন তাকেই পিডব্লিউ বানান; ‘বাবার কাছে শুনেছি’ এমন জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য মামলা ডুবিয়ে দেয়।
সম্পত্তি অন্যকে দান করে দেওয়ার পর দাতা নিজে স্বত্বের মামলা করতে পারে না; দানগ্রহীতাকেই যথাযথভাবে বাদীরূপে মামলা শুরু করতে হবে।
| মামলার শিরোনাম ও নম্বর | দেওয়ানী রিভিশন নং ৬৭ / ২০২২ (Civil Revision No. 67 of 2022) |
| উচ্চ আদালত ও বেঞ্চ | বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ (একক বেঞ্চ: মাননীয় বিচারপতি আব্দুর রহমান / Mr. Justice Abdur Rahman) |
| পক্ষসমূহ | মোছা: আলিয়া (দরখাস্তকারী/বাদী) বনাম মো: ছাইদুর রহমান (প্রতিপক্ষ/বিবাদী) |
| বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ | দরখাস্তকারী পক্ষে: জনাব মো: আলমগীর মোস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট | প্রতিপক্ষ পক্ষে: জনাব এম.এম. শফিউল্লাহ ও জনাব মো: আব্দুল আলিম, অ্যাডভোকেট |
| অধস্তন আদালতের মামলা ও রায় | ১. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, পবা, রাজশাহী (স্বত্ব মোকদ্দমা নং ৮৪/২০১৩, রায়: ৩১.০৫.২০১৮ – মামলা খারিজ) ২. ১ম বিশেষ জেলা জজ আদালত, রাজশাহী (স্বত্ব আপিল নং ১৪০/২০১৮, রায়: ২৩.০৯.২০২১ – আপিল খারিজ ও ডিক্রি বহাল) |
| মূল আইনি বিষয়বস্তু ও নজির | এজমালী সম্পত্তিতে বাটোয়ারা ছাড়া খাস দখলের অচলতা (20 BLC (AD) 75, 43 DLR (AD) 87); ৭ আদেশ ৩ বিধিতে সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট চৌহদ্দি (11 LM (AD) 26); ২৬ আদেশ ১০(২) বিধিতে কমিশনারের রিপোর্টের মূল্যায়ন (13 ALR (AD) 33, 64 DLR (AD) 127); জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্যের বর্জন। |
| হাইকোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত | রুল ডিসচার্জ (Rule Discharged); উভয় আদালতের খারিজ রায় ও ডিক্রি বহাল এবং বিকল্প রিমান্ডের প্রার্থনা চূড়ান্তভাবে নাকচ। |
| শুনানি ও রায়ের তারিখ | শুনানি: জুন ও জুলাই ২০২৬ | চূড়ান্ত রায় প্রদান: ০৯ আগস্ট ২০২৬ (২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) | আপলোড: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
| অফিসিয়াল রায়ের লিংক ও PDF |
📄 সুপ্রিম কোর্টের অফিসিয়াল PDF ডাউনলোড 🏛️ সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট পোর্টাল |

