ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল ফোরাম: হাইকোর্টের রায়
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের (Land Survey Tribunal) রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সঠিক ফোরাম, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫বি ধারা (Section 145B of SAT Act) এবং ২০২৩ সালের ঐতিহাসিক সংশোধিত আইনের কার্যকারিতা প্রসঙ্গে এক অত্যন্ত পথপ্রদর্শক রায় প্রদান করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, (১) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০-এর ১৪৫বি ধারার বিধান অনুযায়ী ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের যেকোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কেবল ‘ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল’-এই দায়েরযোগ্য; সাধারণ দেওয়ানী আপিল এখতিয়ারে হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি প্রথম আপিল (First Appeal) দায়ের করা আইনত অচল; (২) হাইকোর্ট বিভাগ কোনো অবস্থাতেই সংবিধিবদ্ধ বিধান ছাড়া ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিকল্প বা স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কাজ করতে পারে না; (৩) ২০০৭ সালে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না থাকায় ভুল ফোরামে হাইকোর্টে আপিল দায়ের করা হয়েছিল; ইতিমধ্যে State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2023 এবং ২৩ আগস্ট ২০২৩ তারিখের সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন (এসআরও নং ২৫৫-আইন/২০১৩) জারি করে প্রতিটি জেলায় জেলা জজগণকে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে; এবং (৪) ন্যায়বিচারের স্বার্থে ভুল ফোরামে কাটানো সময় বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা জজ/ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল, ঢাকায় নিয়মিত আপিল দায়ের করার সুযোগ প্রদান করা হলো এবং তামাদি মার্জনার দরখাস্তটি আদালত অত্যন্ত সহানুভূতিশীল দৃষ্টিতে বিবেচনা করবে।
মামলাটি ঢাকার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে ২০০৬ সালে খতিয়ান সংশোধনের দাবিতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা Land Survey Tribunal Case No. 215 of 2006 থেকে উদ্ভূত।
মামলার মূল ঘটনা, পক্ষগণের বিরোধ ও বিচারিক পরিক্রমা নিম্নরূপভাবে তুলে ধরা হলো:
- খতিয়ান সংশোধন ও ল্যান্ড সার্ভে মামলা: বাদি-আপিলকারী এ.কে.এম. ফজলুল হক ও অন্যান্যরা রেকর্ড অব রাইটস (Record of Rights) সংশোধনের লক্ষ্যে বায়তুল আমান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ঢাকার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে Land Survey Tribunal Case No. 215 of 2006 দায়ের করেন।
- ৭ আদেশ ১১ বিধিতে আরজি খারিজ: মামলার বিবাদীপক্ষ হাজির হয়ে দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশ ১১ বিধির অধীন আরজি খারিজের (Rejection of Plaint) আবেদন দাখিল করে। বিজ্ঞ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা ২০০৭ সালের ৩ জুলাই (ডিক্রি স্বাক্ষরিত ৯ জুলাই ২০০৭) বিবাদীদের আবেদন মঞ্জুর করে বাদীদের আরজি সরাসরি খারিজ করে দেন।
- আপিল ফোরামের অনুপস্থিতি ও হাইকোর্টে প্রথম আপিল: উক্ত খারিজ ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য তৎকালীন আইন অনুযায়ী ‘ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল’ নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সরকার তখন পর্যন্ত কোনো গেজেট প্রকাশ করে কোনো বিচারককে আপিল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেনি। এই প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতায় নিরুপায় হয়ে বাদিপক্ষ ২০০৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর তামাদি মেয়াদের মধ্যেই হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি First Appeal No. 300 of 2007 দায়ের করেন।
- আইন সংশোধন ও জেলা জজদের আপিল ক্ষমতা অর্পণ (২০২৩): হাইকোর্টে আপিলটি সুদীর্ঘ ১৬ বছর বিচারাধীন থাকাকালে ২০২৩ সালের ১১ জুলাই জাতীয় সংসদে State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2023 পাস হয়। উক্ত সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪৫বি ধারা পুনর্গঠন করা হয় এবং ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশে এসআরও নং ২৫৫-আইন/২০১৩ প্রজ্ঞাপন জারি করে জেলা জজ আদালতসমূহকে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সঠিক ফোরামে প্রেরণের জন্য হাইকোর্টে শুনানি: ২০২৩ সালের এই আইনি পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আপিলকারী পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে মামলাটি দ্রুত শুনানির জন্য উপস্থাপন করেন এবং সঠিক ফোরামে মামলা দায়েরের অনুমতি প্রার্থনা করেন।
🛡️ আপিলকারী বাদিপক্ষের যুক্তি (Appellants)
- আপিল ফোরামের শূন্যতা: ২০০৭ সালে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল কার্যকর না থাকায় এবং সরকার বিচারক নিয়োগ না করায় সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্টে আসতে বাধ্য হয়েছিল।
- ২০২৩ সালের সংশোধনীর প্রয়োগ: ২০২৩ সালের সংশোধনী আইনের মাধ্যমে প্রতিটি জেলায় জেলা জজদের আপিল ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে; ফলে এখন সঠিক ফোরাম সক্রিয় ও কার্যকর।
- তামাদি মার্জনার সুযোগ: ভুল ফোরামে থাকার কারণে আপিলকারীদের যেন তামাদির কারণে অধিকার না হারায়, সেজন্য তামাদি আইন অনুযায়ী বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হোক।
🏛️ বিবাদী রেসপনডেন্টপক্ষের অবস্থান (Respondents)
- হাইকোর্টের এখতিয়ারহীনতা: সাধারণ দেওয়ানী প্রথম আপিল হিসেবে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের রায় হাইকোর্টে সরাসরি শুনানি করার কোনো আইনি এখতিয়ার নেই।
- সংবিধিবদ্ধ ফোরামের একচেটিয়া অধিকার: রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫বি ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র আপিল ট্রাইব্যুনালই এই আপিল শুনতে পারে।
- হাইকোর্টে শুনানিতে অনুপস্থিতি: হাইকোর্ট বিভাগে শুনানিকালে বিবাদীপক্ষ উপস্থিত না থাকলেও আইনের প্রশ্নটি স্বয়ং সুস্পষ্ট।
ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সংবিধিবদ্ধ রূপরেখা:
১৪৫বি ধারার বিধান (Section 145B of the SAT Act 1950):
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫বি ধারায় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো রায়, আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষকে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে হবে। সাধারণ দেওয়ানী আদালতের মতো জেলা জজে বা হাইকোর্টে সরাসরি আপিলের সুযোগ আইনে রাখা হয়নি।
২০২৩ সালের ঐতিহাসিক সংশোধন ও প্রজ্ঞাপন: দীর্ঘদিন যাবত আপিল ট্রাইব্যুনাল অকার্যকর থাকায় হাজার হাজার নাগরিক বিচারবঞ্চিত হচ্ছিলেন। ২০২৩ সালের সংশোধনী আইনের মাধ্যমে প্রতিটি জেলার জেলা জজদেরকে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে বিচারিক এখতিয়ার দেওয়া হয় এবং ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত আইনি শূন্যতা সম্পূর্ণ দূর করা হয়েছে।
মাননীয় বিচারপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন খান এবং মাননীয় বিচারপতি উর্মি রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ আইনি ফোরাম ও বিচারপ্রার্থীদের অধিকার রক্ষা বিষয়ে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তসমূহ প্রদান করেন:
ক. হাইকোর্ট বিশেষ ট্রাইব্যুনালের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না:
হাইকোর্ট দ্ব্যর্থহীন ভাষায় উল্লেখ করেন— সাধারণ দেওয়ানী আপিল এখতিয়ারে বসা কোনো আদালত কোনো বিশেষ সংবিধিবদ্ধ ট্রাইব্যুনালের ভূমিকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের কাঁধে তুলে নিতে পারে না। যেখানে আইন একটি বিশেষ আপিল ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করেছে, সেখানে হাইকোর্টে সরাসরি দায়েরকৃত প্রথম আপিল আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য ও শুনানিযোগ্য নয়।
খ. প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতার কারণে বিচারপ্রার্থীর অধিকার হরণ করা যাবে না:
আদালত লক্ষ্য করেন যে ২০০৭ সালে আপিলকারীরা যখন হাইকোর্টে আসেন, তখন সরকারের ব্যর্থতার কারণে দেশে কোনো আপিল ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় ছিল না। ফলে নাগরিকরা বাধ্য হয়ে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নিয়েছিল। এই ভুলের কারণে কোনো বিচারপ্রার্থীকে তার আইনগত প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
গ. তামাদি মার্জনায় সহানুভূতিশীল বিবেচনার বাধ্যতামূলক নির্দেশ:
হাইকোর্ট বিভাগ ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল, ঢাকাকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে— আপিলকারীগণ এই রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে যদি সেখানে আপিল দায়ের করে, তবে আদালত তামাদি মার্জনার দরখাস্তটি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে। কারণ আপিলকারীরা কোনো অবহেলা করেননি, বরং উপযুক্ত ফোরামের অভাবে ভুল ফোরামে মামলাটি পরিচালনা করছিলেন।
- প্রথম আপিল নিষ্পত্তি (First Appeal Disposed of): ভুল ফোরামে দায়েরকৃত First Appeal No. 300 of 2007 কোনো খরচা ছাড়াই নিষ্পত্তি করা হলো।
- সঠিক ফোরামে আপিল দায়েরের স্বাধীনতা: আপিলকারীগণকে উপযুক্ত ফোরাম অর্থাৎ ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল (জেলা জজ আদালত), ঢাকায় নিয়মিত আপিল দায়ের করার পূর্ণ সুযোগ ও স্বাধীনতা প্রদান করা হলো।
- তামাদি মার্জনার আবেদন গ্রহণের নির্দেশ: আপিল ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দেওয়া হলো যে, হাইকোর্টে ভুল ফোরামে মামলা বিচারাধীন থাকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তামাদি মার্জনার আবেদনটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।
- অবিলম্বে নথিপত্র প্রেরণ: অধস্তন আদালতের যাবতীয় নথিপত্র ও আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এই রায়ের প্রধান আইনি মূলনীতিসমূহ:
- ল্যান্ড সার্ভে আপিলের একচেটিয়া ফোরাম: ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুধুমাত্র ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালেই চলে; হাইকোর্টে সরাসরি প্রথম আপিল অচল।
- হাইকোর্ট বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নয়: সংবিধিবদ্ধ আইন দ্বারা নির্ধারিত ট্রাইব্যুনালের স্থান উচ্চ আদালত সাধারণ দেওয়ানী এখতিয়ারে গ্রহণ করতে পারে না।
- ২০২৩ সালের সংশোধনীর বাধ্যবাধকতা: প্রতিটি জেলার জেলা জজ আদালত এখন সক্রিয় ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল; ফলে সকল পুরোনো ও নতুন আপিল জেলা জজেই দায়ের করতে হবে।
- ভুল ফোরামের সময় তামাদিতে মার্জনাযোগ্য: প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতার কারণে ভুল আদালতে মামলা পরিচালনা করলে তামাদি আইনের ১৪ ও ৫ ধারা অনুযায়ী সেই সময় মওকুফ পাওয়ার অধিকারী।
ট্রাইব্যুনাল মামলা খারিজ বা ডিক্রি দিলে হাইকোর্টে না গিয়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল)-এ আপিল ফাইল করুন।
আপিল মেমোরেন্ডামে ২০২৩ সালের ২৩ আগস্টের সরকারি প্রজ্ঞাপন উদ্ধৃত করে আদালতের এখতিয়ার সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত করুন।
হাইকোর্টে পুরোনো আপিল নিষ্পত্তির পর জেলা জজে যাওয়ার সময় হাইকোর্টের আদেশের সার্টিফাইড কপি সংযুক্ত করে ৫ ধারায় তামাদি মাফ নিশ্চিত করুন।
ট্রাইব্যুনাল আরজি খারিজ করলে দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারা মতে তা ডিক্রি হিসেবে গণ্য হয়; ফলে এর প্রতিকার আপিল ট্রাইব্যুনালেই প্রার্থনা করতে হবে।
যেহেতু আপিল ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় হয়েছে, তাই হাইকোর্টে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে রিট না করে বিধিবদ্ধ আপিল প্রক্রিয়ায় প্রতিকার নেওয়াই আইনসঙ্গত।
| মামলার শিরোনাম ও নম্বর | প্রথম আপিল নং ৩০০ / ২০০৭ (First Appeal No. 300 of 2007) |
| উচ্চ আদালত ও বেঞ্চ | বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ (দেওয়ানী আপিল এখতিয়ার: মাননীয় বিচারপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন খান এবং মাননীয় বিচারপতি উর্মি রহমান) |
| পক্ষসমূহ | এ.কে.এম. ফজলুল হক ও অন্যান্য (বাদী-আপিলকারীগণ) বনাম সাধারণ সম্পাদক, বায়তুল আমান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লি: ও অন্যান্য (বিবাদী-রেসপনডেন্টগণ) |
| বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ | আপিলকারী পক্ষে: জনাব মো: ইফতেখার আহমেদ, অ্যাডভোকেট | রেসপনডেন্ট পক্ষে: শুনানিকালে কেউ উপস্থিত ছিলেন না |
| অধস্তন ট্রাইব্যুনালের মামলা ও আদেশ | ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মামলা নং ২১৫/২০০৬, আদেশ ও ডিক্রি: ০৩.০৭.২০০৭, ডিক্রি স্বাক্ষর: ০৯.০৭.২০০৭; ৭ আদেশ ১১ বিধিতে আরজি খারিজের আদেশ) |
| শুনানি ও রায় ঘোষণার তারিখ | রায় ঘোষণার তারিখ: ১৮ আগস্ট ২০২৬ (আপলোড: ২৪ আগস্ট ২০২৬) |
| আইনি বিষয়বস্তু ও মূল ধারা | রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০-এর ১৪৫বি ধারা; State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2023; সরকারি প্রজ্ঞাপন SRO No. 255-Ain/2013 (২৩ আগস্ট ২০২৩); ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল; তামাদি আইন ১৯০৮-এর ৫ ও ১৪ ধারা |
| অফিসিয়াল রায় ও পিডিএফ লিংক |
📥 সুপ্রিম কোর্ট অফিসিয়াল PDF ডাউনলোড 🌐 সুপ্রিম কোর্ট পোর্টাল |

