পার্বত্য জেলায় পরিষদ অনুমতি ছাড়া দলিল বাতিল ও জালিয়াতিতে তামাদি গণনা: হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায়
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশেষ ভূমি ব্যবস্থাপনা, দলিল বাতিল এবং জালিয়াতির মামলায় তামাদি আইনের প্রয়োগ প্রসঙ্গে এক ঐতিহাসিক ও সুদূরপ্রসারী রায় প্রদান করেছেন। হাইকোর্ট আপিল বিভাগের যুগান্তকারী নজিরসমূহ উদ্ধৃত করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯-এর ৬৪(১) ধারার বিধান মতে জেলা পরিষদের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে বান্দরবান পার্বত্য জেলার যেকোনো ভূমি হস্তান্তর, বিক্রয় বা বন্দোবস্ত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ও বেআইনি (৬৯ ডিএলআর (এডি) ৩৮১)। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও যে বিবাদী মূল দলিল লুকিয়ে রাখে, সাক্ষ্য আইনের ১১৪(ছ) ধারা মতে তার বিরুদ্ধে বিরূপ অনুমান (Adverse Presumption) গ্রহণ করতে হবে (৭৮ ডিএলআর (এডি) ৩৯)। ‘জালিয়াতি সবকিছুকেই নস্যাৎ করে’ (Fraud vitiates everything); দলিল সম্পাদনে প্রতারণা প্রমাণিত হলে তামাদি আইনের ৯১ অনুচ্ছেদ ও ১৮ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ দলিল সম্পাদনের দিন থেকে নয়, বরং জালিয়াতি ও দলিলের বিষয়ে বাদীর সুনির্দিষ্ট জানার তারিখ (Date of knowledge) থেকেই গণনা শুরু হবে (৫০ ডিএলআর (এডি) ৫০ ও ১৮ বিএলসি (এডি) ২৫৮)। নিম্ন আদালতদ্বয়ের ২০ বছরের তামাদির ভুল রায় বাতিল করে হাইকোর্ট বিতর্কিত দুটি কবলা দলিল ও নামজারি সরাসরি বাতিল ঘোষণা করে বাদীর পক্ষে ডিক্রি দিয়েছেন।
মামলাটি বান্দরবান সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দায়েরকৃত দলিল বাতিল ও নামজারি বাতিলের মোকদ্দমা Other Suit No. 365 of 2015 (মূল Other Suit No. 34 of 2011) থেকে উদ্ভূত।
মামলার মূল ঘটনা ও বিচারিক প্রেক্ষাপট নিম্নরূপ:
- বন্দোবস্ত ও বাদীর মালিকানা: ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন অনুযায়ী ১৯৮২-৮৩ সালের ৬ নম্বর সেটেলমেন্ট কেসের মাধ্যমে সুভাষ চন্দ্র দে ৩.০০ একর জমি বন্দোবস্ত পান এবং তার নামে ১৭৩ ও ২৪৩ নম্বর হোল্ডিং প্রস্তুত হয়। তিনি ফলবাগান গড়ে ও কর প্রদান করে জমিতে ভোগদখল করছিলেন।
- বায়নানামা সম্পাদন ও অসুস্থতা: ১৯৮৯ সালের ৩১ জুলাই বাদী ১৭৩ নম্বর হোল্ডিংয়ের ৩.০০ একর জমি বিক্রয়ের লক্ষ্যে ১-৫ নম্বর বিবাদীদের সাথে মোট ৬৪,০০০ টাকা মূল্যে বায়নানামা করেন এবং আংশিক ৩১,০০০ টাকা গ্রহণ করেন। বায়নার সময় মিউটেশনের জন্য স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল। এর পরপরই বাদী হৃদরোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ভারতে দীর্ঘমেয়াদী ওপেন হার্ট সার্জারির জন্য অবস্থান করেন।
- ভূয়া দলিল ও নামজারি সৃজন: বাদীর অনুপস্থিতির সুযোগে বিবাদীগণ অন্য ব্যক্তিকে সুভাষ চন্দ্র দে সাজিয়ে (False personation) এবং স্বাক্ষর জাল করে ১৯৯১ সালের ১৪ আগস্ট ৪১৬ নম্বর দলিল এবং ১৯৯১ সালের ২৪ ডিসেম্বর ৬৭৭ নম্বর দলিলের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২৪৩ নম্বর হোল্ডিংয়ের ৪.৬০ একর জমিসহ মোট জমি হাতিয়ে নেয় এবং ৬৭/৮৮-৮৯ নম্বর মিউটেশন কেস সৃজন করে।
- ২০০৮ সালে অবগত হওয়া ও মামলা দায়ের: ২০০৮ সালে বিবাদীগণ মালিকানা দাবি করলে বাদী স্থানীয়ভাবে আপসের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে ২০০৯ ও ২০১০ সালে দলিলের নকল সংগ্রহ করে নিশ্চিত হয়ে ২০১১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল ও নামজারি বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করেন।
- বিবাদীদের জবাব ও ডেপুটি কমিশনারের অবস্থান: বিবাদী ১-৫ নম্বর লিখিত জবাব দাখিল করে ক্রয় ও ২০ বছরের দখলের দাবি করে। তবে ৬ নম্বর বিবাদী বান্দরবান পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক লিখিত জবাবে স্পষ্ট জানান যে, জেলা পরিষদের অনুমোদন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশনের অনুমোদন ছাড়া জমি হস্তান্তরের কোনো আইনি বৈধতা নেই।
- অধস্তন আদালতের তামাদির ভুল রায়: সিনিয়র সহকারী জজ ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই তামাদি আইনের অজুহাতে মামলা খারিজ করেন। জেলা জজ আদালতও ২০১৫ সালের ২৫ নম্বর আপিলে ২০১৭ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর আপিল খারিজ করে বলেন যে ২০ বছর পর মামলা করায় তা তামাদিতে বারিত।
- হাইকোর্টে দেওয়ানী রিভিশন: এই রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে সুভাষ চন্দ্র দে হাইকোর্ট বিভাগে Civil Revision No. 3791 of 2017 দায়ের করেন।
🏛️ বাদী সুভাষ চন্দ্র দে-র যুক্তি
- জেলা পরিষদের পূর্বানুমোদনহীন দলিল বাতিল: বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনের ৬৪ ধারা অনুযায়ী পরিষদের অনুমোদন ছাড়া যেকোনো হস্তান্তর সম্পূর্ণ বেআইনি ও বাতিল।
- আদালতের আদেশ সত্ত্বেও মূল দলিল গোপন: আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বিবাদীগণ মূল দলিল আদালতে জমা দেয়নি; সাক্ষ্য আইনের ১১৪(ছ) ধারা মতে বিরূপ অনুমান প্রযোজ্য।
- জানার তারিখ থেকে তামাদি গণনা: পিও ১৪২/১৯৭২-এর হলফনামা ছাড়া রেজিস্ট্রি ভুয়া; জালিয়াতির ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৯১ অনুচ্ছেদ মতে জানার তারিখ থেকে মামলা তামাদিমুক্ত।
🛡️ বিবাদী ক্রেতাগণের প্রতিরক্ষা যুক্তি
- দীর্ঘ ২০ বছরের দখল ও খাজনা প্রদান: ১৯৯১ সালের রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে জমি কিনে ২০ বছর ধরে ভোগদখলে আছেন এবং নামজারি অনুমোদন হয়েছে।
- হস্তরেখা বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা চাওয়া হয়নি: বাদী তার স্বাক্ষর বা টিপসহি জালিয়াতি প্রমাণের জন্য কোনো হস্তরেখা বিশারদের মতামত আদালতে প্রার্থনা করেননি।
- ২০ বছর পর মামলা তামাদিতে বারিত: ১৯৯১ সালের দলিলের বিরুদ্ধে ২০১১ সালে মামলা দায়ের তামাদি আইনের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সম্পূর্ণ বারিত।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় সাধারণ ভূমিনীতির পাশাপাশি বিশেষ সাংবিধিবদ্ধ আইন কার্যকর রয়েছে যা সমতল এলাকার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুরক্ষাব্যবস্থা প্রদান করে।
১. বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯-এর ধারা ৬৪(১) ও আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত:
আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক Wagachara Tea Estate Ltd vs Md. Abu Taher (69 DLR (AD) 381) মামলায় রায় দিয়েছেন যে—
“Under section 64 of the Ain, the alienation of any property, whether by way of lease, acquisition or sale, has been totally restricted, which can only be done with the prior approval of the Parishads… Any act or omission in violation of the Parishads’ functions is a criminal offence.”
অর্থাৎ, জেলা পরিষদের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তির নামেই বান্দরবানের ভূমি রেজিস্ট্রি বা হস্তান্তর করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অকার্যকর।
ক. মূল দলিল গোপন করায় ১১৪(ছ) ধারায় বিরূপ অনুমান (Adverse Presumption):
হাইকোর্ট লক্ষ্য করেন যে বাদী ২০১৪ সালের ১৪ মে মূল দলিল দাখিলের আবেদন করেছিলেন এবং আদালত ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর বিবাদীদের মূল দলিল দাখিলের সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিবাদীগণ অসৎ উদ্দেশ্যে আদালতের আদেশ অমান্য করে মূল দলিল লুকিয়ে রাখে। গোলাম মোস্তফা বনাম মকবুল আহমেদ মিয়া (৭৮ ডিএলআর এডি ৩৯) এবং ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের Mussauddin Ahmed vs State of Assam ((2009) 14 SCC 541) নজির অনুযায়ী, সর্বোত্তম প্রমাণ নিজের জিম্মায় থাকা সত্ত্বেও তা উপস্থাপন না করলে আদালত ধরে নেবে যে দলিল উপস্থাপন করলে জালিয়াতি ধরা পড়ে যেত বলেই তা গোপন রাখা হয়েছে।
খ. পিও ১৪২/১৯৭২-এর বাধ্যতামূলক হলফনামা অনুপস্থিত:
রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১৪২/১৯৭২-এর ৩, ৪ ও ৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দাতার হলফনামা ছাড়া কোনো দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্পূর্ণ অবৈধ। প্রদর্শিত ৪১৬ ও ৬৭৭ নম্বর দলিলে কোনো হলফনামা ছিল না; ফলে সাব-রেজিস্ট্রার আইন লঙ্ঘন করে দলিলটি রেজিস্ট্রি করেছিলেন।
গ. জালিয়াতির ক্ষেত্রে তামাদি গণনা: জানার তারিখই মাপকাঠি (Date of Knowledge):
হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মোড়ঘোরানো সিদ্ধান্তসমূহ উদ্ধৃত করেন— জিল্লুর রহমান বনাম আব্দুল কাইয়ুম (১৮ বিএলসি এডি ২৫৮) মামলায় বলা হয়েছে: “Fraud vitiates everything.” অর্থাৎ জালিয়াতি সমগ্র লেনদেনকে শুরু থেকেই বাতিল করে দেয়। এছাড়া হাসনা বানু বনাম কেয়ামত উল্লাহ মলিথা (৫০ ডিএলআর এডি ৫০) এবং আসানউল্লাহ ফকির বনাম যোগেন্দ্র নাথ সরকার (পিএলডি ১৯৬১ ঢাকা ৭০৩) নজির অনুযায়ী, যেখানে জালিয়াতি প্রমাণিত হয়, সেখানে তামাদি আইনের ১৮ ধারা ও ৯১ অনুচ্ছেদ মতে দলিলের নকল প্রাপ্তি বা জালিয়াতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে জানার তারিখ থেকেই তামাদি গণনা শুরু হবে। বাদী জানার পরপরই মামলা দায়ের করায় তা সম্পূর্ণ তামাদিমুক্ত।
- রুল অ্যাবসলিউট (Rule Absolute): হাইকোর্ট বিভাগ দরখাস্তকারী সুভাষ চন্দ্র দে-র দেওয়ানী রিভিশন আবেদন পূর্ণাঙ্গভাবে মঞ্জুর করলেন।
- উভয় আদালতের রায় বাতিল ও মামলা ডিক্রি: বান্দরবান সহকারী জজ ও জেলা জজ আদালতের খারিজ রায় বাতিল করে মূল মামলাটি বাদীর পক্ষে ডিক্রি ঘোষণা করা হলো।
- জাল দলিল ও নামজারি চূড়ান্ত বাতিল: ১৯৯১ সালের ১৪ আগস্টের ৪১৬ নম্বর কবলা দলিল, ১৯৯১ সালের ২৪ ডিসেম্বরের ৬৭৭ নম্বর কবলা দলিল এবং ৬৭/৮৮-৮৯ নম্বর মিউটেশন কেস সম্পূর্ণ বেআইনি, জাল ও বাতিল ঘোষণা করা হলো।
- সাব-রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ: সংশ্লিষ্ট লামা/বান্দরবান সাব-রেজিস্ট্রার অফিসকে উক্ত রেজিস্ট্রি দলিলসমূহ বালাম বইতে বাতিলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এই রায়ের মৌলিক আইনি নীতিসমূহ (Core Legal Principles):
- পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনের প্রাধান্য: পার্বত্য তিন জেলার ক্ষেত্রে জেলা পরিষদ আইনের ৬৪ ধারা অলঙ্ঘনীয় বিশেষ আইন; পরিষদের লিখিত অনুমতি ছাড়া সম্পাদিত যেকোনো দলিল জন্মলগ্নেই বাতিল (Void ab initio)।
- মূল দলিল গোপনকারীর বিরুদ্ধে বিরূপ অনুমান: আদালতের আদেশ অমান্য করে মূল দলিল গোপনকারী বিবাদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য আইনের ১১৪(ছ) ধারায় দলিল জাল হওয়ার সংবিধিবদ্ধ অনুমান গঠিত হয়।
- জালিয়াতি ও ১৮ ধারার তামাদি সুরক্ষা: জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করা হলে দীর্ঘ ২০ বছর অতিক্রান্ত হলেও তা বাদীর বিরুদ্ধে তামাদি বাধা তৈরি করতে পারে না; নকল প্রাপ্তি বা জানার তারিখই কার্যকর সময়সীমা।
- নামজারির ভিত্তিহীনতা: মূল বিক্রয় দলিল বাতিল হলে তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি নামজারি বা জমাভাগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর ও বিলুপ্ত হয়ে যায়।
বান্দরবান, রাঙ্গামাটি বা খাগড়াছড়ির জমি হস্তান্তরের মামলায় সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো দলিল কার্যকর হবে না; ৬৯ ডিএলআর (এডি) ৩৮১ নজিরটি মনে রাখুন।
দলিল জালিয়াতির মামলায় বিবাদীকে দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ আদেশের ১৪ বিধিতে মূল দলিল দাখিলের নির্দেশ প্রদান করান; তারা ব্যর্থ হলে ১১৪(ছ) ধারায় বিরূপ অনুমান টানুন।
তামাদি আইনের ১৮ ধারা ও ৯১ অনুচ্ছেদের সুবিধা পেতে আরজিতে দলিলের সার্টিফাইড কপি উত্তোলনের চালান ও তারিখ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
পুরনো দলিলে দাতার বৈধ হলফনামা যুক্ত ছিল কি না তা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ভলিউম রেকর্ড থেকে যাচাই করে আইনের ৩ ও ৪ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন তুলে ধরুন।
জালিয়াতির মামলায় ১৮ বিএলসি (এডি) ২৫৮ ও ৫০ ডিএলআর (এডি) ৫০ নজির রেফার করলে দীর্ঘ বিলম্বের পরেও ডিক্রি অর্জন সম্ভব।
| মামলার শিরোনাম ও নম্বর | দেওয়ানী রিভিশন নং ৩৭৯১ / ২০১৭ (Civil Revision No. 3791 of 2017) |
| উচ্চ আদালত ও বেঞ্চ | বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ (মাননীয় বিচারপতি মো: সোহরাওয়ার্দী / Mr. Justice Md. Shohrowardi) |
| পক্ষসমূহ | সুভাষ চন্দ্র দে (দরখাস্তকারী/বাদী) বনাম শ্যামল চন্দ্র শীল ও অন্যান্য (প্রতিপক্ষগণ/বিবাদীগণ) |
| বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ | দরখাস্তকারী পক্ষে: ড. মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট | প্রতিপক্ষ ১-৫ পক্ষে: কেউ উপস্থিত হননি |
| অধস্তন আদালতের মামলা ও রায় | ১. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, বান্দরবান (স্বত্ব মোকদ্দমা নং ৩৬৫/২০১৫, রায়: ১৪.০৭.২০১৫ – মামলা খারিজ) ২. জেলা জজ আদালত, বান্দরবান (স্বত্ব আপিল নং ২৫/২০১৫, রায়: ১৩.০৯.২০১৭ – আপিল খারিজ ও ডিক্রি বহাল) |
| মূল আইনি বিষয়বস্তু ও নজির | বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯-এর ৬৪ ধারা (69 DLR (AD) 381); সাক্ষ্য আইনের ১১৪(ছ) ধারা ও দলিল গোপন (78 DLR (AD) 39); জালিয়াতি ও তামাদি আইনের ৯১ অনুচ্ছেদ (50 DLR (AD) 50, 18 BLC (AD) 258); সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল। |
| হাইকোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত | রুল অ্যাবসলিউট (Rule Absolute); উভয় আদালতের খারিজ রায় বাতিল; বাদীর মামলা ডিক্রি এবং বিতর্কিত ৪১৬ ও ৬৭৭ নম্বর কবলা দলিল এবং ৬৭/৮৮-৮৯ নম্বর মিউটেশন সরাসরি বাতিল। |
| শুনানি ও রায়ের তারিখ | শুনানি: ১৩, ১৭, ১৮ ও ২০ মে ২০২৬ | চূড়ান্ত রায় প্রদান: ২১ মে ২০২৬ | আপলোড: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
| অফিসিয়াল রায়ের লিংক ও PDF |
📄 সুপ্রিম কোর্টের অফিসিয়াল PDF ডাউনলোড 🏛️ সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট পোর্টাল |
