সরকারি খাস জমি ও দীর্ঘ দখলে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ: হাইকোর্টের রায়
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সরকারি খাস ভূমিতে দীর্ঘদিনের বাস্তব দখল (Long Physical Possession), ২৫ বছরের সরকারি বন্দোবস্তের দাবি এবং দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ ১ ও ২ বিধির আওতায় স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখা প্রসঙ্গে অত্যন্ত বাস্তবমুখী ও সুবিচারমূলক রায় প্রদান করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, (১) সরকারি জমিতে কোনো ব্যক্তি যদি সংলগ্ন জোতের মালিক হিসেবে মাটি ভরাট ও উন্নয়ন করে অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় (৬৭ বছর) ধরে নিরবচ্ছিন্ন দখলে থাকে, তবে মূল মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়া ছাড়া তাকে বলপ্রয়োগে উচ্ছেদ করা যায় না; (২) বিবাদীপক্ষ সরকারি বন্দোবস্ত কেসের মাধ্যমে ২৫ বছরের ইজারা পাওয়ার দাবি করলেও দখলদার বাদীকে নিছক তাদের ‘কেয়ারটেকার’ বা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে প্রমাণের কোনো দালিলিক অনুমতিপত্র দেখাতে না পারলে অন্তর্বর্তীকালীন স্তরে বাদীর দখল অগ্রাহ্য করা যায় না; (৩) ২০০৮ সালে দায়েরকৃত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা সুদীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বিচারাধীন থাকা এবং হাইকোর্টে রিভিশন পর্যায়ে বিগত ৮ বছর স্থগিতাদেশ থাকাকালে কোনো পক্ষই যখন নতুন করে বেদখল হয়নি, তখন বিচারিক আদালতদ্বয়ের স্থিতাবস্থার সিদ্ধান্তই সবচেয়ে যৌক্তিক; এবং (৪) উভয় পক্ষকে বিগত ৮ বছর ধরে বিদ্যমান বাস্তব দখল ও অবস্থান সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন (Maintain possession and position) রাখার নির্দেশ প্রদান করে বিচারিক আদালতকে কোনো অপ্রয়োজনীয় মুলতবি ছাড়া মূল মোকদ্দমা দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়ে রিভিশনটি নিষ্পত্তি করা হলো।
মামলাটি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি সহকারী জজ আদালতে ২০০৮ সালে মো: আবুল হোসেন কর্তৃক বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দাবিতে দায়েরকৃত Other Class Suit No. 53 of 2008 থেকে উদ্ভূত।
মামলার মূল ঘটনা, পক্ষগণের বিবাদ ও দীর্ঘ ১৮ বছরের বিচারিক পরিক্রমা নিম্নরূপ:
- সংলগ্ন জমির মালিকানা ও ৬৭ বছরের বাস্তব দখল: ১ নম্বর বাদি-প্রতিপক্ষ মো: আবুল হোসেন দাবি করেন যে তিনি নালিশী ভূমির সংলগ্ন জোতের বৈধ মালিক। তিনি ও তার পূর্বসূরিগণ নালিশী পতিত জমিটি মাটি ভরাট ও উন্নয়ন করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন এবং সুদীর্ঘ ৬৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে আছেন।
- সরকারি ২৫ বছরের ইজারা ও কেয়ারটেকারের পাল্টা দাবি: মামলার ১ ও ২ নম্বর বিবাদী (বর্তমান দরখাস্তকারীগণ) লিখিত আপত্তি দাখিল করে দাবি করেন যে নালিশী ভূমিটি মূলত ১ নম্বর বিবাদী বাংলাদেশ সরকারের খাস সম্পত্তি। বিবাদীগণ ১৯৬৪-৬৫ সনের বন্দোবস্ত মোকদ্দমা (Settlement Case No. 56 of 64-65)-এর মাধ্যমে সরকারের নিকট থেকে উক্ত জমি ২৫ বছরের জন্য ইজারা গ্রহণ করেছেন এবং বাদি তাদের ওই জমির নিছক কেয়ারটেকার বা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন মাত্র।
- সহকারী জজ আদালত কর্তৃক স্থিতাবস্থার আদেশ: মামলা চলাকালীন বাদিপক্ষ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ ১ ও ২ বিধি অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত দাখিল করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ফটিকছড়ি সহকারী জজ আদালত ২০০৯ সালের ২২ এপ্রিল ২০ নম্বর আদেশের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে নালিশী জমির দখল বিষয়ে স্থিতাবস্থা (Status-quo) বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন।
- যুগ্ম জেলা জজে বিবিধ আপিল খারিজ: বিবাদীপক্ষ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালতে Miscellaneous Appeal No. 109 of 2009 দায়ের করেন। পরবর্তীতে আপিলটি ২য় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বদলি হলে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ২০১৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আপিলটি খারিজ করে বিচারিক আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ বহাল রাখেন।
- হাইকোর্টে দেওয়ানী রিভিশন ও দীর্ঘ ৮ বছরের স্থিতি: অধস্তন আদালতদ্বয়ের আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদীগণ হাইকোর্টে Civil Revision No. 2416 of 2018 দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই হাইকোর্ট রুল জারি করে অধস্তন আদালতের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এই স্থগিতাদেশ বিগত ৮ বছর যাবত বলবৎ ছিল এবং এই দীর্ঘ সময়ে কোনো পক্ষই অপর পক্ষকে বেদখল করেনি।
🛡️ দরখাস্তকারী বিবাদীর যুক্তি (Petitioners)
- সরকারের বৈধ ইজারাদার: বিবাদীগণ সেটেলমেন্ট কেস নং ৫৬/৬৪-৬৫ মূলে সরকারের কাছ থেকে ২৫ বছরের বৈধ ইজারা লাভ করেছেন; ফলে তারা আইনসম্মত বন্দোবস্তপ্রাপক।
- বাদি নিছক কেয়ারটেকার: বাদি উক্ত জমিতে কোনো নিজস্ব স্বত্বে নয়, বরং বিবাদীদের কেয়ারটেকার হিসেবে দেখাশোনা করছিলেন; কেয়ারটেকার কখনো মালিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারে না।
- ৮ বছরে কোনো বেদখল হয়নি: হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পর দীর্ঘ ৮ বছর অতিবাহিত হয়েছে এবং কোনো পক্ষই জমি থেকে উচ্ছেদ হয়নি; ফলে বিদ্যমান অবস্থান বহাল রেখেই রিভিশন নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।
🏛️ প্রতিপক্ষ বাদিপক্ষের যুক্তি (Opposite Party)
- ৬৭ বছরের বাস্তব দখল ও উন্নয়ন: বাদি সংলগ্ন জমির মালিক হিসেবে পতিত জমি ভরাট করে ৬৭ বছর ধরে বসতবাড়ি ও চাষাবাদ করে বাস্তব দখলে অধিষ্ঠিত আছেন।
- কেয়ারটেকারের দাবির ভিত্তিহীনতা: বিবাদীগণ বাদিকে কেয়ারটেকার নিয়োগের কোনো নিয়োগপত্র, বেতন প্রদানের প্রমাণ বা অনুমতিপত্র আদালতে দাখিল করতে পারেনি।
- অধস্তন দুই আদালতের সিদ্ধান্ত অভিন্ন: সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজ উভয়ই বাদির প্রাথমিক দখল দেখে স্থিতাবস্থা দিয়েছেন; রিভিশনে এই বাস্তব তথ্যে হস্তক্ষেপের কোনো ভিত্তি নেই।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ ১ ও ২ বিধি অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়ে পক্ষগণের দখল সুরক্ষায় আদালতের এখতিয়ার:
স্থিতাবস্থার আদেশ ও বাস্তব দখলের সুরক্ষা (Protection of Physical Possession):
দেওয়ানী মোকদ্দমায় যখন স্বত্ব নিয়ে গভীর বিরোধ থাকে এবং পক্ষগণ পরস্পরবিরোধী দলিল বা ইজারা দাবি করে, কিন্তু জমিতে কোনো এক পক্ষের দীর্ঘ বাস্তব দখল সন্দেহাতীতভাবে প্রতীয়মান হয়, তখন আদালত সম্পত্তি রূপান্তর বা বলপূর্বক বেদখল রোধ করতে স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। স্থিতাবস্থার মূল লক্ষ্য হলো— মোকদ্দমা চলাকালীন পক্ষগণ যাতে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয় এবং মামলার বিচারিক ফলাফল আসার পূর্ব পর্যন্ত শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে।
মাননীয় বিচারপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন খান নথিপত্র এবং দীর্ঘ ১৮ বছরের বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা পর্যালোচনা করে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন:
ক. দীর্ঘ বিচারাধীন মোকদ্দমায় দ্রুত ট্রায়ালের অপরিহার্যতা:
হাইকোর্ট অত্যন্ত বিষ্ময়ের সাথে লক্ষ্য করেন যে, ২০০৮ সালে দায়েরকৃত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা আজ প্রায় দুই দশক ধরে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ও রিভিশনের মারপ্যাঁচে আটকে রয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উচ্চ আদালতে বছরের পর বছর সময়ক্ষেপণ না করে মূল মোকদ্দমার পূর্ণাঙ্গ সাক্ষ্য-জেরার মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়াই ন্যায়বিচারের একমাত্র দাবি।
খ. বিগত ৮ বছরের বাস্তব পরিস্থিতি বজায় রাখার নির্দেশনা:
হাইকোর্টে রুল জারির সময় ২০১৮ সালের ১৩ জুলাই যে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল, সেই অবস্থায় বিগত ৮ বছরে কোনো পক্ষই কোনো নতুন অস্থিরতা বা বেদখলের অভিযোগ আনেনি। আদালত অভিমত দেন যে, ট্রায়াল চলাকালীন উভয় পক্ষ তাদের বিদ্যমান বাস্তব দখল ও অবস্থান বজায় রাখবে, যা শান্তি ও সুবিচার নিশ্চিত করবে।
গ. অযৌক্তিক মুলতবি পরিহার করে ট্রায়াল শেষের আদেশ:
হাইকোর্ট বিচারিক আদালতকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দেন যে কোনো পক্ষকে অপ্রয়োজনীয় বা কালক্ষেপণমূলক মুলতবি (Unnecessary Adjournments) প্রদান করা যাবে না এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুততম সময়ে মূল দেওয়ানী মোকদ্দমাটির ট্রায়াল শেষ করতে হবে।
- রুল নিষ্পত্তি (Rule Disposed of): দেওয়ানী রিভিশন মোকদ্দমার রুলটি সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনাসহ নিষ্পত্তি করা হলো।
- বিগত ৮ বছরের বিদ্যমান দখল বহাল: হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের পর বিগত ৮ বছর ধরে উভয় পক্ষ জমিতে যেভাবে বাস্তব দখল ও অবস্থানে রয়েছে, ট্রায়াল চলাকালে ঠিক সেই অবস্থান ও দখল কঠোরভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হলো।
- বিনা মুলতবিতে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ: ফটিকছড়ি সহকারী জজ আদালতকে কোনো পক্ষকে অহেতুক মুলতবি না দিয়ে দীর্ঘদিনের পুরোনো Other Class Suit No. 53 of 2008 মোকদ্দমাটি দ্রুততম সময়ে আইনানুযায়ী নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হলো।
- অবিলম্বে রায় প্রেরণ: এই রায়ের অনুলিপি অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট অধস্তন আদালতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এই রায়ের প্রধান আইনি মূলনীতিসমূহ:
- বাস্তব দখল সুরক্ষা: দীর্ঘস্থায়ী বাস্তব দখলে থাকা ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালতের আইনি ডিক্রি ছাড়া কোনো অন্তর্বর্তীকালীন প্রক্রিয়ায় বেদখল করা যায় না।
- কেয়ারটেকার দাবির প্রমাণভার: যে পক্ষ অপর পক্ষকে কেয়ারটেকার দাবি করবে, প্রমাণের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে তারই; কোনো দালিলিক প্রমাণ ছাড়া নিছক মৌখিক দাবি আদালতে অগ্রহণযোগ্য।
- দীর্ঘস্থায়ী স্থিতাবস্থার মূল্য: উচ্চ আদালতে দীর্ঘ বছর কোনো অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ বহাল থাকলে এবং কোনো নতুন বিরোধ না ঘটলে ট্রায়াল চলাকালীন সেই স্থিতাবস্থা বজায় রাখাই শ্রেয়।
- পুরোনো মোকদ্দমায় অগ্রাধিকার: দশকব্যাপী বিচারাধীন মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন আপিল-রিভিশন বিলম্বিত না করে সরাসরি মূল ট্রায়াল দ্রুত নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সরকারি খাস জমিতে দীর্ঘ দখল দাবি করলে মাটি ভরাট, গাছপালার বয়স এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়নপত্র দিয়ে দখল প্রতিষ্ঠিত করুন।
বিপক্ষ যদি আপনার মক্কেলকে কেয়ারটেকার বলে, তবে জেরায় প্রমাণ করুন যে তারা কখনো কোনো বেতন দেয়নি বা কোনো লিখিত চুক্তি সম্পাদন করেনি।
নিষেধাজ্ঞার আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনে দীর্ঘ বছর না কাটিয়ে বরং মূল মোকদ্দমায় দ্রুত সাক্ষ্য শেষ করে চূড়ান্ত ডিক্রি হাসিল করাই টেকসই সমাধান।
আদালত স্থিতাবস্থা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানা ও এসিল্যান্ড অফিসে আদেশের কপি দাখিল করে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার ব্যবস্থা করুন।
হাইকোর্টে শুনানিকালে আদালতকে অনুরোধ করুন যেন নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বিচারিক আদালতকে মূল মামলার ট্রায়াল সমাপ্তির বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়।
| মামলার শিরোনাম ও নম্বর | দেওয়ানী রিভিশন নং ২৪১৬ / ২০১৮ (Civil Revision No. 2416 of 2018) |
| উচ্চ আদালত ও বেঞ্চ | বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ (একক বেঞ্চ: মাননীয় বিচারপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন খান) |
| পক্ষসমূহ | মো: ইব্রাহিম নুরন্নবী হেলাল ও অন্যান্য (বিবাদী-দরখাস্তকারীগণ) বনাম মো: আবুল হোসেন ও অন্যান্য (বাদী-প্রতিপক্ষগণ; বাংলাদেশ সরকার পক্ষভুক্ত) |
| বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ | দরখাস্তকারী পক্ষে: জনাব মো: মোবারক হোসেন, অ্যাডভোকেট | ১ নম্বর প্রতিপক্ষ পক্ষে: জনাব আব্দুল মোমেন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট |
| অধস্তন আদালতের মামলা ও আদেশ | ২য় যুগ্ম জেলা জজ আদালত, চট্টগ্রাম (মিস আপিল নং ১০৯/২০০৯, আদেশ: ২০.০২.২০১৮) বহাল রেখে সহকারী জজ আদালত, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম (আদার ক্লাস স্যুট নং ৫৩/২০০৮, আদেশ নং ২০ তারিখ ২২.০৪.২০০৯; স্থিতাবস্থা আদেশ) |
| শুনানি ও রায় ঘোষণার তারিখ | রায় ঘোষণার তারিখ: ০৪ আগস্ট ২০২৬ (আপলোড: ২৩ আগস্ট ২০২৬) |
| আইনি বিষয়বস্তু ও মূল ধারা | দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১৫(১) ধারা; ৩৯ আদেশ ১ ও ২ বিধি (অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও স্থিতাবস্থা); সরকারি খাস জমি ও বন্দোবস্ত কেস; দীর্ঘদিনের বাস্তব দখল (Physical Possession); দ্রুত ট্রায়াল নিষ্পত্তি |
| অফিসিয়াল রায় ও পিডিএফ লিংক |
📥 সুপ্রিম কোর্ট অফিসিয়াল PDF ডাউনলোড 🌐 সুপ্রিম কোর্ট পোর্টাল |

