[t4b-ticker]

অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন | প্রস্তুতির টিপস ও কৌশল

Table of Contents

অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন: প্রস্তুতি, নমুনা প্রশ্নোত্তর ও সফলতার কৌশল ২০২৫

Bar council written exam question Bank

ভূমিকা

বাংলাদেশে আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ হলো অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। এই পরীক্ষার মধ্যে লিখিত পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পরীক্ষার্থীদের আইনি জ্ঞান, বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং প্রয়োগ দক্ষতা যাচাই করে। “অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন” নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—প্রশ্নের ধরন কী হবে? কীভাবে প্রস্তুতি নিলে সফলতা আসবে? এই আর্টিকেলে আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এখানে আপনি পাবেন প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড, নমুনা প্রশ্নোত্তর, প্রস্তুতির কৌশল এবং সিলেবাসের বিশ্লেষণ। আমাদের লক্ষ্য হলো এই আর্টিকেলটি আপনাকে এমনভাবে গাইড করা যাতে আপনি ২০২৫ সালের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করতে পারেন।

বার কাউন্সিল লিখিত পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্ন

অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি পরীক্ষা কী?

অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি পরীক্ষা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে একজন আইন গ্র্যাজুয়েট আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। এই পরীক্ষা তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়:

  1. MCQ (বহুনির্বাচনী) পরীক্ষা
  2. লিখিত পরীক্ষা
  3. মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষা

লিখিত পরীক্ষা এখানে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ধাপ, কারণ এটি পরীক্ষার্থীর গভীর জ্ঞান ও লেখার দক্ষতা পরীক্ষা করে। এই পরীক্ষায় সাধারণত ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকে, যা ৪ ঘণ্টায় সম্পন্ন করতে হয়। প্রশ্নগুলো সাধারণত বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের বিভিন্ন বিষয় থেকে আসে।

লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও প্রশ্নের ধরন

লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলো থেকে আসে:

  • দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure)
  • ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure)
  • দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code)
  • সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (Evidence Act)
  • তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act)
  • সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act)
  • বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ ও বিধিমালা, ১৯৭২

প্রশ্নের ধরন

  1. বর্ণনামূলক প্রশ্ন: কোনো নির্দিষ্ট ধারা বা বিষয় ব্যাখ্যা করতে বলা হয়।
    • উদাহরণ: “দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় অন্তর্নিহিত ক্ষমতা কী? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করুন।”
  2. বিশ্লেষণী প্রশ্ন: কোনো পরিস্থিতি দিয়ে তার আইনি সমাধান চাওয়া হয়।
    • উদাহরণ: “একটি বেআইনি সমাবেশে হত্যাকাণ্ড ঘটলে দণ্ডবিধির কোন ধারায় অভিযোগ গঠন করা যাবে?”
  3. সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: সংজ্ঞা বা ধারা ব্যাখ্যা।
    • উদাহরণ: “নারাজি দরখাস্ত কী? এর প্রক্রিয়া বর্ণনা করুন।”

লিখিত পরীক্ষার গঠন ও সিলেবাস

লিখিত পরীক্ষা সাধারণত ১০০ নম্বরের হয় এবং সময় থাকে ৪ ঘণ্টা। এটি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রশ্ন দিয়ে গঠিত। নিচে সিলেবাসের প্রধান বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:

  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure)
    • মোকদ্দমার ধাপ, আইনানুগ প্রতিনিধি, নিষেধাজ্ঞা, স্থানীয় তদন্ত ইত্যাদি।
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure)
    • গ্রেপ্তার, জামিন, তদন্ত, বিচার প্রক্রিয়া।
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code)
    • অপরাধের সংজ্ঞা, শাস্তি, আত্মরক্ষার অধিকার।
  4. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (Evidence Act)
    • সাক্ষ্যের প্রকার, গ্রহণযোগ্যতা, প্রমাণের দায়িত্ব।
  5. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act)
    • চুক্তি প্রয়োগ, সম্পত্তি পুনরুদ্ধার।
  6. তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act)
    • মামলার সময়সীমা।
  7. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ ও বিধিমালা, 

প্রতিটি বিষয় থেকে ১-২টি প্রশ্ন থাকে, যার মধ্যে বর্ণনামূলক এবং বিশ্লেষণী প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত।

নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর

পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন বোঝার জন্য কিছু নমুনা প্রশ্ন ও তাদের সম্ভাব্য উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

প্রশ্ন ১: দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮

প্রশ্ন: যে কোনো ৪টি বিষয়ে উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করুন:
ক) আইনানুগ প্রতিনিধি
খ) এক তরফা রায়
গ) মোকদ্দমা উৎপত্তির কারণ
ঘ) নিষেধাজ্ঞা

উত্তর:

  • আইনানুগ প্রতিনিধি: এটি এমন একজন ব্যক্তি যিনি আইনের অধীনে অন্যের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন। উদাহরণ: কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারী।
  • এক তরফা রায়: বিবাদী উপস্থিত না হলে আদালত বাদীর পক্ষে রায় দিতে পারে (ধারা ৯)। উদাহরণ: ভাড়াটিয়া নোটিশ পেয়েও জবাব না দিলে।
  • মোকদ্দমা উৎপত্তির কারণ: মামলার মূল বিষয় বা ঘটনা। উদাহরণ: চুক্তি ভঙ্গের কারণে ক্ষতি।
  • নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশে কোনো কাজ থেকে বিরত থাকা (অর্ডার ৩৯)। উদাহরণ: সম্পত্তি বিক্রি বন্ধের আদেশ।

প্রশ্ন ২: দণ্ডবিধি, ১৮৬০

প্রশ্ন: ‘প্রতারণা’ ও ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ অপরাধের মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা করুন। সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করুন।
উত্তর:

  • প্রতারণা (ধারা ৪২০): কাউকে প্রতারিত করে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচিত করা। উদাহরণ: জাল দলিলে জমি বিক্রি।
  • বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৬): বিশ্বাসের অপব্যবহার করে সম্পত্তির ক্ষতি। উদাহরণ: আমানতকৃত টাকা ফেরত না দেওয়া।
  • পার্থক্য: প্রতারণায় প্রাথমিক উদ্দেশ্য প্রতারিত করা, বিশ্বাসভঙ্গে বিশ্বাস লঙ্ঘন প্রধান।

প্রশ্ন ৩: ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮

প্রশ্ন: ধারা ১৪৫ অনুযায়ী শান্তিভঙ্গের আশঙ্কায় প্রসিডিং শুরুর শর্ত কী?
উত্তর: ধারা ১৪৫ অনুযায়ী, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রসিডিং শুরু করতে পারেন। শর্ত:

  • লিখিত অভিযোগ বা তথ্য।
  • বিরোধের বিষয়ে স্পষ্ট প্রমাণ।
  • শান্তিভঙ্গের সম্ভাবনা।

পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ

পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রশ্নগুলো সাধারণত দুই ধরনের হয়:

  1. বর্ণনামূলক: আইনের ধারা ব্যাখ্যা বা সংজ্ঞা।
  2. বিশ্লেষণী: কাল্পনিক ঘটনার ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ।
    উদাহরণ: ২০২২ সালে একটি প্রশ্ন ছিল— “একটি বেআইনি সমাবেশে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তি বিশ্লেষণ করুন।” এ ধরনের প্রশ্নে ধারা ১৪৯ (বেআইনি সমাবেশ) এবং ৩০২ (হত্যা) প্রয়োগ করতে হয়।

প্রস্তুতির কৌশল

লিখিত পরীক্ষায় সফল হতে নিচের কৌশলগুলো অনুসরণ করুন:

১. সিলেবাসভিত্তিক পড়া

  • প্রতিটি বিষয়ের মূল ধারা ও সংজ্ঞা মুখস্থ করুন।
  • উদাহরণ: দণ্ডবিধির ২১টি সংজ্ঞা (ধারা ১১-৩২) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২. পূর্ববর্তী প্রশ্ন অনুশীলন

  • ২০১৫-২০২৩ সালের প্রশ্ন সংগ্রহ করে সমাধান করুন।
  • বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইট বা লিগ্যাল স্টাডি প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রশ্ন পাওয়া যায়।

৩. লেখার দক্ষতা বাড়ানো

  • প্রতিদিন ২-৩টি প্রশ্নের উত্তর লিখে অনুশীলন করুন।
  • সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট এবং ধারা উল্লেখ করে লিখতে শিখুন।

৪. মক টেস্ট

  • ৪ ঘণ্টার মক টেস্ট দিয়ে সময় ব্যবস্থাপনা শিখুন।

৫. বই ও রিসোর্স

  • বার কাউন্সিলের অনুমোদিত বই
  • আইনের প্রফেশনাল গাইড
  • অনলাইন রিসোর্স ও মডেল টেস্ট

সাফল্যের টিপস

  • ধারার সঠিক উল্লেখ: প্রতিটি উত্তরে সংশ্লিষ্ট ধারা লিখুন।
  • সময় বিভাজন: ১০০ নম্বরের প্রশ্নের জন্য প্রতি নম্বরে ২.৪ মিনিট সময় দিন।
  • পড়ার রুটিন: দিনে ৬-৮ ঘণ্টা পড়ুন, বিষয় ভাগ করে।
  • আত্মবিশ্বাস: পরীক্ষার হলে শান্ত থাকুন, প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ুন।

সাধারণ ভুল এবং এড়িয়ে চলার উপায়

  • অতিরিক্ত মুখস্থ করার প্রবণতা।
  • মূল আইনের বই না পড়ে শুধু গাইড বইয়ের উপর নির্ভর করা।

FAQ: সাধারণ প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন: লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কত?

উত্তর: সাধারণত ৫০% বা ৫০ নম্বর।

প্রশ্ন: প্রশ্নপত্র কি বাংলায় না ইংরেজিতে হয়?

উত্তর: উভয় ভাষায় হতে পারে, তবে বাংলায় উত্তর লেখা বেশি প্রচলিত।

প্রশ্ন: কতবার পরীক্ষা দেওয়া যায়?

উত্তর: এমসিকিউ পাসের পর লিখিতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী বছর আবার দেওয়া যায়।

উপসংহার

অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা আইনজীবী হওয়ার পথে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সঠিক প্রস্তুতি, নিয়মিত অনুশীলন এবং আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে এই পরীক্ষায় সফলতা অর্জন সম্ভব। ২০২৫ সালের পরীক্ষার জন্য এখনই প্রস্তুতি শুরু করুন, পূর্ববর্তী প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করুন এবং নিজেকে যোগ্য করে তুলুন। আপনার স্বপ্নের আইনি ক্যারিয়ার এখন আপনার হাতের মুঠোয়!

অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সম্পর্কিত FAQ

১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা কী?

অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা হলো বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির দ্বিতীয় ধাপ, যেখানে প্রার্থীদের আইনি জ্ঞান পরীক্ষা করা হয়।

২. ২০২৫ সালে লিখিত পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে?

২০২৫ সালের লিখিত পরীক্ষার সঠিক তারিখ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ২০২৪ সালের শেষ বা ২০২৫ সালের শুরুতে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে।

৩. লিখিত পরীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারবে?

যারা বার কাউন্সিলের এমসিকিউ (MCQ) প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তারাই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

৪. লিখিত পরীক্ষার সিলেবাসে কী কী বিষয় থাকে?

সিলেবাসে দেওয়ানি কার্যবিধি, ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, তামাদি আইন এবং বাংলাদেশের সংবিধান অন্তর্ভুক্ত।

৫. লিখিত পরীক্ষার মোট নম্বর কত?

লিখিত পরীক্ষার মোট নম্বর সাধারণত ১০০।

৬. পরীক্ষার সময় কতক্ষণ?

পরীক্ষার সময়কাল সাধারণত ৪ ঘণ্টা।

৭. লিখিত পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন থাকে?

প্রশ্নগুলো বর্ণনামূলক এবং বিশ্লেষণী হয়, যেমন ধারা ব্যাখ্যা বা কাল্পনিক ঘটনার আইনি সমাধান।

৮. লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কত?

সাধারণত ৫০% বা ৫০ নম্বরে পাস করতে হয়।

৯. প্রশ্নপত্র কি বাংলায় না ইংরেজিতে হয়?

প্রশ্নপত্র বাংলা এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় হতে পারে, তবে বাংলায় উত্তর লেখা বেশি প্রচলিত।

১০. পরীক্ষার জন্য আবেদন ফি কত?

আবেদন ফি সাধারণত ১৫০০-২০০০ টাকার মধ্যে হয়, যা বার কাউন্সিলের নোটিশে নির্দিষ্ট করা হয়।

১১. লিখিত পরীক্ষায় কতটি প্রশ্ন থাকে?

প্রশ্নের সংখ্যা ৫-১০টির মধ্যে হতে পারে, বিষয়ভেদে ভিন্ন হয়।

১২. পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন কোথায় পাওয়া যায়?

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইট, লিগ্যাল স্টাডি প্ল্যাটফর্ম বা বইয়ের দোকান থেকে পাওয়া যায়।

১৩. লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোন বই পড়তে হবে?

লিখিত পরীক্ষার জন্য আইন পাঠ লিখিত, আইনের সহজ পাঠ ইত্যাদি বই সহ বেয়ার অ্যাক্ট পড়োতে পাড়েন ।

১৪. পরীক্ষায় উত্তর কীভাবে লিখতে হয়?

উত্তর সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট এবং সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করে লিখতে হয়।

১৫. লিখিত পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে কী করব?

এমসিকিউ পাস থাকলে পরবর্তী বছর আবার লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

১৬. পরীক্ষার ফলাফল কোথায় প্রকাশিত হয়?

ফলাফল বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.barcouncil.gov.bd) প্রকাশিত হয়।

১৭. লিখিত পরীক্ষার পর কী হয়?

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।

১৮. প্রস্তুতির জন্য কত সময় পড়তে হবে?

প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা করে ৩-৬ মাস পড়লে ভালো প্রস্তুতি হয়।

১৯. পরীক্ষায় কি নেগেটিভ মার্কিং আছে?

না, লিখিত পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং থাকে না।

২০. কীভাবে পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন বুঝব?

পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র অনুশীলন করে এবং মক টেস্ট দিয়ে প্রশ্নের ধরন বোঝা যায়।