[পরিপত্র] যৌথ মালিকানার জমিতে আলাদা নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর আদায় নির্দেশিকা ২০২৫: ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন ও গেজেট বিশ্লেষণ
📜 ভূমি মন্ত্রণালয় অফিশিয়াল পরিপত্র | অধিশাখা-১
যৌথ মালিকানার জমিতে আলাদা নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর আদায় নির্দেশিকা ২০২৫
📥 অফিশিয়াল সরকারি গেজেট ও প্রজ্ঞাপন PDF ডাউনলোড
বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (BG Press) / সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত মূল গেজেট ও প্রজ্ঞাপন কপি নিচে সরাসরি ডাউনলোড ও ব্রাউজারে পড়ার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে:
📜 যৌথ মালিকানার জমিতে আলাদা নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিপত্র
প্রকাশের তারিখ: ১৫ মে, ২০২৫ | পৃষ্ঠা: ২ | আকার: ১.৫৬ মেগাবাইট | অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপন | উৎস: বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস) / সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়
প্রকাশের তারিখ: ১৫ মে, ২০২৫ | পৃষ্ঠা: ২ | আকার: ১.৫৬ মেগাবাইট | অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপন | উৎস: বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস) / সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়
📄 এই পেজেই সরাসরি মূল অফিশিয়াল গেজেট প্রিভিউ দেখুন (ক্লিক করুন)
পরিপত্রের পটভূমি ও মাঠপর্যায়ের জটিলতা
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৫ মে ২০২৫ তারিখের স্মারক নং ১৪৩ পরিপত্রের মাধ্যমে দেশের লাখ লাখ যৌথ খতিয়ানের ভূমির মালিকদের দীর্ঘদিনের হয়রানির অবসান ঘটানো হয়েছে। যৌথ মালিকানাধীন জমিতে এক শরিক জমি বিক্রি বা আলাদা নামজারি করলে বাকি শরিকদের খাজনা দিতে গিয়ে সার্ভারে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হতো।
পরিপত্রের প্রধান নির্দেশনাসমূহ
- স্বয়ংক্রিয় অবশিষ্টাংশের জোত সৃজন: যৌথ খতিয়ানের কোনো শরিক তার অংশ নামজারি করলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অবশিষ্ট শরিকদের নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃথক খতিয়ান ও হোল্ডিং আপডেট করবেন।
- অনলাইনে আলাদা কর দাবি: ভূমি উন্নয়ন কর সিস্টেমে (ldtax.gov.bd) প্রতিটি শরিকের নির্ধারিত অংশের বিপরীতে আলাদা কর দাবি তৈরি হবে, যার ফলে এক শরিকের বকেয়ার জন্য অন্য শরিকের কর প্রদান বন্ধ থাকবে না।
- মাঠ কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ: কোনো অবস্থাতেই বাকি শরিকদের অহেতুক নতুন করে নামজারি আবেদনের নামে ঘুষ বা কালক্ষেপণ করানো যাবে না।
❓ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)
যৌথ খতিয়ানে অন্য শরিকরা জমি বিক্রি করে দিলে আমার কর কি আটকে থাকবে?
না, ২০২৫ সালের নতুন পরিপত্র অনুযায়ী এসিল্যান্ড অফিস স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবশিষ্ট শরিকদের হোল্ডিং আলাদা করে দেবে এবং অনলাইনে আপনি নিজের অংশের কর একাই পরিশোধ করতে পারবেন।

