[গেজেট] পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) (সংশোধন) আইন ও অধ্যাদেশ: ধারা ৫ক সন্নিবেশ ও ক্রয়কৃত পরিত্যক্ত সম্পত্তির বৈধ নামজারি সংক্রান্ত গেজেট বিশ্লেষণ

📜 বাংলাদেশ গেজেট অতিরিক্ত সংখ্যা | গৃহায়ন ও গণপূর্ত / ভূমি মন্ত্রণালয়

পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) (সংশোধন) আইন ও অধ্যাদেশ: ধারা ৫ক সন্নিবেশ ও বৈধ নামজারি

রেফারেন্স / গেজেট নম্বর:
বা.জা.স. বিল নং ৩৮/২০২৬ (অধ্যাদেশ নং ১৫, ২০২৫ সংহতকরণ)
গেজেট প্রকাশের তারিখ:
৯ এপ্রিল, ২০২৬
কর্তৃপক্ষ / উৎস:
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং আইন বিচার বিভাগ
আইনের প্রয়োগ ক্ষেত্র:
পরিত্যক্ত সম্পত্তি, সরাসরি নামজারি ও জমাভাগ

📥 অফিশিয়াল সরকারি গেজেট ও প্রজ্ঞাপন PDF ডাউনলোড

বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (BG Press) / সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত মূল গেজেট ও প্রজ্ঞাপন কপি নিচে সরাসরি ডাউনলোড ও ব্রাউজারে পড়ার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে:

📜 পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) (সংশোধন) আইন ও অধ্যাদেশ গেজেট
প্রকাশের তারিখ: ৯ এপ্রিল, ২০২৬ | পৃষ্ঠা: ৪ | আকার: ১৯৩ কিলোবাইট | বিজি প্রেস অফিশিয়াল গেজেট | উৎস: বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস) / সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়

📄 এই পেজেই সরাসরি মূল অফিশিয়াল গেজেট প্রিভিউ দেখুন (ক্লিক করুন)


আইনের পটভূমি ও চার দশকের জমিজমার অচলাবস্থা নিরসন

বাংলাদেশ গেজেট অতিরিক্ত সংখ্যায় ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে “The Abandoned Buildings (Supplementary Provisions) (Amendment) Act & Ordinance” বা পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) (সংশোধন) আইন ও অধ্যাদেশ।

১৯৮৫ সালের ৫৪ নং অধ্যাদেশ (The Abandoned Buildings Supplementary Provisions Ordinance, 1985) অনুসারে বিগত চার দশক ধরে হাজার হাজার নাগরিক সরকার কর্তৃক ‘ক’ বা ‘খ’ তালিকাভুক্ত পরিত্যক্ত সম্পত্তি নিলাম বা বৈধ চুক্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করে ক্রয় করা সত্ত্বেও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নামজারি ও খতিয়ান করাতে গিয়ে পদে পদে জটিলতার মুখে পড়তেন। নতুন সংশোধনের মাধ্যমে এই চরম অচলাবস্থার স্থায়ী আইনি সমাধান হয়েছে।

যুগান্তকারী ধারা ৫ক সন্নিবেশ (Insertion of Section 5A)

আইনের প্রধান সংশোধন হলো নতুন ধারা ৫ক সংযোজন। এতে বলা হয়েছে:

  • পূর্ণাঙ্গ মালিকানা স্বীকৃতি: যেসকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরকারের নিকট থেকে মূল্য পরিশোধ করে বৈধ দলিলের মাধ্যমে ‘ক’ বা ‘খ’ তালিকাভুক্ত পরিত্যক্ত বাড়ি বা ভূমি কিনেছেন, তাদেরকে আইনগতভাবে চূড়ান্ত স্বত্বাধিকারী/মালিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
  • সরাসরি নামজারি মঞ্জুর: সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) উক্ত ক্রেতা বা তাদের বৈধ উত্তরাধিকারীদের অনুকূলে কোনো অতিরিক্ত অনাপত্তি ছাড়পত্র (NOC) বা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতিরেকে সরাসরি সরকারি ফি গ্রহণ সাপেক্ষে নামজারি ও জমাভাগ (Mutation & Separation) মঞ্জুর করে খতিয়ান প্রদান করবেন।
  • ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহণ: এই খতিয়ানের ভিত্তিতে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করবেন।

❓ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

সরকার থেকে কেনা পরিত্যক্ত বাড়ির নামজারি করতে এখন কী লাগবে?
ধারা ৫ক অনুসারে সরকারের বরাদ্দের প্রমাণপত্র, সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের রসিদ এবং রেজিস্ট্রিকৃত সেল ডিড থাকলে এসি ল্যান্ড সরাসরি নামজারি করে দিতে বাধ্য।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button