Bangladesh Bar Council Preliminary/Mcq Exam 2013

এডভোকেটশীপ (MCQ) পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর

বিগত সালের এডভোকেটশীপ (MCQ), পরীক্ষার ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন ও উত্তর
২০১৩ সালের অনুষ্ঠিত MCQ প্রশ্নাবলী ও উত্তরসমূহ

১। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন দায়েরযোগ্য মামলার তামাদির মেয়াদ হবে বেদখলের তারিখ হতে- (ক) ৬ বছর (খ) ৬ মাস (গ) ৬ সপ্তাহ (ঘ) ৬ দিন
উত্তরঃ- (খ)

২। লিমিটেশন এ্যাক্ট, ১৯০৮ এর কোন কিছুই প্রযোজ্য হবে না- (ক) চুক্তি আইন, ১৯৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে (খ) সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৪ ধারার ক্ষেত্রে (গ) সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১০৭ ধারার ক্ষেত্রে (ঘ) সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৫ (২) ধারার ক্ষেত্রে
উত্তর:- (ক)

৩। কোন ব্যক্তি সুর্যাস্তের পরে ও সূর্যোদয়ের পূর্বে সিঁদ কেটে বা দরজা- জানাল ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ করলে সে ব্যক্তির অপরাধ হবে- (ক) গৃহে অনধিকার প্রবেশ (খ) রাত্রিকালে গৃহ সিঁধ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙ্গে অনধিকার প্রবেশ (গ) সঙ্গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (ঘ) সিঁদ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ । উত্তরঃ- (খ)

৪। X অন্যায়ভাবে Y-এর ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্য ইচ্ছাপূর্বক Y- এর একটি আংটি নদীতে নিক্ষেপ করে । X – এর কৃত অপরাধ হলো- (ক) চুরি (খ) অর্থ আত্মসাৎ (গ) ক্ষতি (ঘ) জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
উত্তর:- (গ)

৫। X নিজেকে মৃত Y হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে । X এর কত অপরাধ হলো- (ক) ক্ষতি (খ) প্রতারণা (গ) প্রবঞ্চনা (গ) ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
উত্তরঃ- (ঘ)

৬। প্রতিটি দস্যুতায় রয়েছে- (ক) চুরি এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় (খ) জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় এবং চুরি (গ) চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় (ঘ) ডাকাতি এবং চুরি
উত্তর:- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- দন্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি না হয় বলপূর্বক গ্রহণ থাকবে।]

৭। ডাকাতি সাথে খুনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কি? (ক) মৃত্যুদন্ড (খ) যাবজ্জীবন কারাদন্ড (গ) ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড (ঘ) কোন অপরাধ হয় নাই
উত্তর ঃ– (ক) [ ব্যাখ্যাঃ- দন্ডবিধির ৪৯৬ ধারায় দেখুন ।

৮। A,Z- এর দখলে থাকা একটি সম্পত্তি তার নিজের মনে করে সরল বিশ্বাসে নিয়ে যায় । A এর কৃত অপরাধ হলো (ক) চুরি (খ) অর্থ আত্মসাৎ (গ) জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় (ঘ) কোন অপরাধ হয়নি।
উত্তরঃ- (ঘ)
৯। পেনার কোডের অধীনে কোনটি অনুমোদিত সাজা নয়? (ক) কারাদন্ড (খ) সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ (গ) বেত্রাঘাত (ঘ) জরিমানা
উত্তর:- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- দন্ডবিধির ৫৩ ধারা অনুযায়ী বেত্রাঘাত অনুমোদিত সাজা নয়।]

১০। যদি কোন আসামী চার্জ গঠনকালে স্বীকার করে যে সে অভিযুক্ত অপরাধটি সংঘটন করেছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রট আদেশ দিতে পারেন আসামির- (ক) অব্যাহতির (খ) মুক্তির (গ) খালাসের (ঘ) সাজার
উত্তরঃ- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- দন্ডবিধির ২৪৩ ধারা দেখুন।]

১১। চুরি অপরাধ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত? (ক) জমির সাথে (খ) দন্ডায়মান গাছের সাথে (গ) স্বর্ণালংকারের সাথে (ঘ) দালানের সাথে
উত্তর:- (গ)

১২। বসতঘরের চুরির অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কি? (ক) ৫ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা (খ) ৩ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা (গ) ৭ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও জরিমানা (ঘ) ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও জরিমানা [ ব্যাখ্যাঃ- দন্ডবিধির ৩৮০ ধারা দেখুন।]
উত্তরঃ- (ঘ)

১৩। ধর্ষন অপরাধ সংঘটনের উপাদান হলো- (ক) ৮ টি (খ) ৫টি (গ) ৭ টি (গ) ৩টি
উত্তরঃ- (খ) [ ব্যাখ্যাঃ- দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারা দেখুন।]

১৪। Y-এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে X সে পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে Y এর চলাচল বাধাগ্রস্থ হয় । X এর কৃত অপরাধ- (ক) ন্যায় আটক (খ) অন্যায় অর্পণ (গ) অন্যায় বাধা (ঘ) অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
উত্তরঃ- (গ)

১৫ । পেনাল কোড হলো একটি- (ক) Adjective law (খ) Substantive law (গ) Preventive (ঘ) Procedural law
উত্তরঃ- (খ)

১৬। পেনাল কোডে কত প্রকারের আঘাতকে“মারাত্মক” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে? (ক) ৬ প্রকারের (খ) ৮ প্রকারের (গ) ৯ প্রকারের (ঘ) ১০ প্রকারের
উত্তরঃ- (খ) [ ব্যাখ্যাঃ- দন্ডবিধির ৩২০ ধারা দেখুন ।]

১৭। X,Z- এর মুখে ঘুষি মারলে তার Z একটি দাঁত পড়ে যায় । X এর কৃত অপরাধ হলো- (ক) সাধারণ জখম (খ) মারাত্মক জখম (গ) ইচ্ছাকৃত জখম (ঘ) হত্যার প্রচেষ্টা
উত্তরঃ- (খ)

১৮ । পেনাল কোডের ৩৪ ধারার অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য অপরাধ সংঘটনের জন্য ন্যূনতম আসামি হতে হবে- (ক) ৫ জন (খ) ৩ জন (গ) ৭ জন (ঘ) ২ জন
উত্তরঃ- (ঘ)

১৯। নিম্নের কোনটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না? (ক) অত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কৃত কর্ম (খ) অবৈধ সমাবেশ গঠনে কৃত কর্ম (গ) অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করা (ঘ) অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা করা

২০ । খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কি? (ক) যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও জরিমানা (খ) ১০ বছর কারাদন্ড ও জরিমানা (গ) ১৪ বছর কারাদন্ড ও জরিমানা (ঘ) ৭ বছর কারাদন্ড
উত্তর:- (ক)

২১। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ দায়ের করতে পারে- (ক) আপীল (খ) রিভিশন (গ) রিভিউ (ঘ) রেফারেন্স
উত্তর:- (খ)

২২। সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে মামলা করতে পারে- (ক) দখল উদ্ধারের (খ) স্বত্ব ঘোষনা ও দখল উদ্ধারের (গ) কেবল স্বত্ব ঘোষণার (ঘ) স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
উত্তরঃ- (খ)

২৩। একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়, যখন- (ক) চুক্তির প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য (খ) ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় (গ) ইহারা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না (ঘ) চুক্তিটি সম্পাদনের পূর্বেই, চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব বিলীন হয় ।
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- এস. আর. এক্টের ১২ ধারা দেখুন।]

২৪। A একটি জমির বৈধ দখলে আছে । প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে । A মামলা করতে পারে- (ক) অগ্রক্রয়ের (খ) ক্ষতিপূরণের (গ) ঘোষণার (ঘ) বন্টনের উত্তরঃ- (গ)
২৫। একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, যখন- (ক) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য (খ) চুক্তিটির প্রকৃত ক্ষতি নিরূপণের কোন মাপকাঠি থাকে না (গ) চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না (ঘ) চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না
উত্তর:- (ক)

২৬। ১ জুলাই, ২০০৪ তারিখে একটি রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তির অনুকূলে সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বলবতের জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে বাদীকে আরজির সাথে জমা দেয়ার প্রয়োজন ছিল- (ক) চুক্তির অবশিষ্ট মূল্যের ২৫% (খ) চুক্তির অবশিষ্ট মূল্যের ৫০% (গ) অবশিষ্ট চুক্তিমূল্য (ঘ) কোন চুক্তিমূল্য দাখিল অপ্রয়োজনীয়
উত্তরঃ- (গ)

২৭। দেওয়ানী আদালত কর্তৃক স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা- (ক) বিবেচনামূলক (খ) বাধ্যতামূলক (গ) নির্দেশনামূলক(ঘ) নিরোধমূলক
উত্তরঃ- (ক)
২৮। দলিল বাতিলের মামলার বাদীকে উক্ত দলিলের- (ক) পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই (খ) অবশ্যই পক্ষ থাকতে হবে (গ) একজন সাক্ষী হতে হবে (ঘ) উপরের কোনটিই নয়
উত্তর:- (ক)

২৯। ঘোষণামূলক মামলা কে করতে পারে- (ক) আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকার ব্যক্তি (খ) কোন সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি (গ) মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি (ঘ) ক ও খ উভয়ে
উত্তরঃ- (ঘ)

৩০। কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে যদি সম্পত্তিতে তার- (ক) প্রতীকী দখল থাকে (খ) দখল না থাকে (গ) আংশিক দখল থাকে (ঘ) একচ্ছত্র দখল থাকে
উত্তরঃ- (ঘ)

৩১ । প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে- (ক) নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা (খ) ক্রোকাদেশ দ্বারা (গ) ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা (ঘ) নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
উত্তর:- (ক)

৩২। জেলা জজের আপীল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার কি? (ক) আপীল (খ) রেফারেন্স (গ) রিভিশন (ঘ) রিভিউ
উত্তর:- (গ)

৩৩। আপীলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়ের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত কোন আদালতে দাখিল করা যাবে? (ক) রিভিশন আদালত (খ) রেফারেন্স আদালত (গ) আপীল আদালত (ঘ) উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী
আদালত
উত্তরঃ- (ঘ)

৩৪ । কোন রিভিউ দরখাস্ত না- মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী? (ক) আপীল (খ) রিভিশন (গ) রিভিউ (ঘ) রেফারেন্স
উত্তরঃ- (খ)

৩৫। Pleadings সংশোধন করা যায়- (ক) অনুসন্ধানের যে কোন পর্যায়ে (খ) তদন্তের যে কোন পর্যায়ে (গ) প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে (ঘ) ডিক্রি জারীর কোন পর্যায়ে
উত্তরঃ- (গ)

৩৬। যদি বিবাদী আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে লিখিত বর্ণনা দাখিলকরতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে মামলাটি- (ক) খারিজ হবে (খ) একতরফা নিস্পত্তি হবে (গ) ডিক্রি হবে (ঘ) দোতরফা নিস্পত্তি হবে
উত্তরঃ- (খ)

৩৭। আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে- (ক) রিভিশন (খ) রিভিউ (গ) রেফারেন্স (ঘ) আপীল
উত্তরঃ- (ঘ) [ব্যাখ্যাঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী একতরফা মূল ডিক্রি হতে আপীল দায়ের করা যাবে।]

৩৮। একজন অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রচারিত আপীল অযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে, সাধারণত ঃ রিভিশন দায়ের করা যায়- (ক) জেলা জজ আদালতে (খ) বিভাগীয় জজ আদালতে (গ) আপীল বিভাগে (ঘ) হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর:- (ঘ)

৩৯ । কোন পক্ষ কর্তৃক Set off দাবী করা যেতে পারে- (ক) নিষেধাজ্ঞার মামলায় (খ) স্বত্বের মামলায় (গ) অর্থের মামলায় (ঘ) বন্টনের মামলায়
উত্তরঃ- (গ)

৪০। Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোন সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির-(ক) বৈধ দখল আছে (খ) অনুমিত দখল আছে (গ) আইনসঙ্গত দখল আছে (ঘ) অন্যায়ভাবে দখল আছে
উত্তরঃ- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ২ (১২) ধারা দেখুন।]

৪১ । নিম্নের কোন আদালত একটি ডিক্রি জারী করতে পারে? (ক) আপীল আদালত (খ) বিভিশন আদালত (গ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত (ঘ) একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালত
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা দেখুন।]

৪২। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদী প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প-পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, আদালতের আদেশ হবে- (ক) আরজির ফেরতের (খ) আরজি অস্বীকারের (গ) আরজি প্রেরণের (ঘ) আরজি
নাকচের
উত্তর:- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ষ্ট্যাম্প সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে আরজি খারিজ হবে।]

(ঘ) ৩০ দিন ৪৩। একটি মামলায় মূল্যমান সংশোধনের সর্বাধিক সময়কাল হবে-(ক) ৭ দিন (খ) ১৪ দিন (গ) ২১ দিন
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের ১১ বিধি দেখুন।]

৪৪ । আরজীতে বিবৃত অভিযোগসমূহ বিবাদীর লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হলে, তা হবে বিবাদীর- (ক) স্বীকারোক্তি (খ) উপস্থাপন (গ) স্বীকৃতি (ঘ) বর্জন
উত্তর:- (গ)

৪৫। কোন ব্যক্তি-বিবাদী পক্ষ তার লিখিত জবাব দাখিল করতে সর্বোচ্চ- (ক) ৬ মাসের মধ্যে (খ) ৪ মাসের
মধ্যে (গ) ৩ মাসের মধ্যে (ঘ) ২ মাসের মধ্যে
উত্তর:- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের বিধি অনুযায়ী বিবাদী পক্ষ জবাব দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ ২ মাস সময় পাবে।]

৪৬। একটি আরজিতে সত্যাখ্যান (verification) স্বাক্ষর করবে কে? (ক) বাদী (খ) বাদীর উকিল (গ) বিবাদী (ঘ) বিবাদীর উকিল
উত্তরঃ- (ক) [ ব্যাখ্যাঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ১৪ বিধি দেখুন ।

৪৭। ৭ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি মামলায় আরজী খারিজের দরখাস্ত প্রত্যাখানের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে- (ক) আপীল বিভাগ (খ) হাইকোর্ট বিভাগ (গ) জেলা জজ আদালত (ঘ) বিভাগীয় জজ আদালত উত্তরঃ- (খ)

৪৮। সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন আদেশ হলে সেটি হবে একটি- (ক) রায় (খ) ডিক্রি (গ) আদেশ (ঘ) বিভিউ
উত্তরঃ- (খ) . [ ব্যাখ্যাঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ২ (২) অনুযায়ী ১৪৪ ধারার অধীনে প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন আদেশ ডিক্রি বলে গণ্য হবে ।]

৪৯। সিভিল প্রসিডিউর কোডের কোন ধারায় রেস সাব-জুডিস এর নীতি বর্ণিত আছে? (ক) ৯ (খ) ১০ (গ) ১১ (ব) ১২
উত্তরঃ- (খ)

৫০। প্রত্যেকটি আপীলের মেমোতে স্বাক্ষর করবে- (ক) আপীলকারী বা তার উকিল (খ) আপীলকারী এবং তার উকিল (গ) উকিল এবং রেসপডেন্ট (ঘ) আপীলকারী এবং রেসপডেন্ট
উত্তর:- (ক)

৫১। বার কাউন্সিল নির্বাচিত সদস্যগণের কার্যকাল সমাপ্ত হয়- (ক) ৫ বৎসরে (খ) ৩ বৎসরে (গ) ২ বৎসরে (ঘ) ১ বৎসরে
উত্তরঃ- (খ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিলের এক্টের অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের মেয়াদকাল হবে ৩ বছর।]

৫২। একজন এডভোকেটকে হাইকোর্ট বিভাগে আইন ব্যবসা করার অনুমতি প্রাপ্তির জন্য অধ:স্তন আদালতে অন্যূন কত বৎসর আইন ব্যবসা করতে হবে- (ক) ৬ মাস (খ) ১ বৎসর (গ) ২ বৎসর (ঘ) ১ বৎসর
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের অনুচ্ছেদ ২১ দেখুন।

৫৩। এডভোকেট এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান কে হবেন? (ক) অ্যাটর্নী জেনারেল (খ) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান (গ) আপীল বিভাগের বিচারক (ঘ) হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের ১১- (খ) অনুচ্ছেদ দেখুন।]

৫৪। একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য তার অন্যূন বয়স হতে হবে- (ক) ৩০ বৎসর (খ) ২৭ বৎসর (গ) ২৫ বৎসর (ঘ) ২১ বৎসর
উত্তরঃ- (ঘ)

৫৫। বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনাল হয়- (ক) ৭ ব্যক্তির সমন্বয়ে (খ) ৫ ব্যক্তির সমন্বয়ে (গ) ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে (ঘ) ১ ব্যক্তির সমন্বয়ে
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী ৩ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে।]

৫৬। ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে- (ক) আপীল বিভাগে (খ) হাইকোর্ট বিভাগে (গ) জেলা জজ আদালতে (ঘ) বার কাউন্সিল আপীল বোর্ডে
উত্তরঃ- (খ)

৫৭। বার কাউন্সিল কর্তৃক বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্ণ-অনুমোদন লাগবে- (ক) রাষ্ট্রপতির (খ) প্রধান বিচারপতির (গ) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের (ঘ) সরকারের
উত্তর:- (ঘ)

৫৮ । এডভোকেট ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে করাদন্ডে দন্ডিত করা যেতে পারে- (ক) ২ মাস পর্যন্ত (খ) ৩ মাস পর্যন্ত (গ) ৬ মাস পর্যন্ত (গ) ৪ মাস পর্যন্ত
উত্তরঃ- (গ) ৬ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড দেওয়া যাবে। [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এডভোকেট ব্যতিত কোন ব্যক্তি আইন চর্চা করলে ৬ মাস]

৫৯। চেয়ারম্যান কর্তৃক বার কাউন্সিলের নির্বাচনী তফসিল প্রকাশ করতে হবে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের কম পক্ষে- উত্তরঃ- (গ) (ক) ১৫ দিন পূর্বে (খ) ৩০ দিন পূর্বে (গ) ৪৫ দিন পূর্বে (ঘ) ৬০ দিন পূর্বে
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের বিধি ৩ দেখুন ]। ।

৬০। বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে হিসাব করে ১ম সভা অনুষ্ঠিত হবে- (ক) ৬ মাসের মধ্যে (খ) ৩ মাসের মধ্যে (গ) ২ মাসের মধ্যে (ঘ) ১ মাসের মধ্যে ৬০
উত্তরঃ- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের বিধি ২৮ দেখুন।]

৬১ । বার কাউন্সিলে কোন এডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে প্রদত্ত ফি- এর পরিমাণ হবে- (ক) ১০০ টাকা (খ) ৫০০ টাকা (গ) ১০০০ টাকা (ঘ) ২০০০ টাকা
উত্তর:- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের বিধি ৪১-(ক) দেখুন ।]

৬২। কোন এডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত শিক্ষানবীশ নিতে পারবেন- (ক) ২ জনের বেশী নয় (খ) ৩ জনের বেশী নয় (গ) ৪ জনের বেশী নয় (ঘ) ৫ জনের বেশী নয়
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের ৬০ বিধি দেখুন।]

৬৩। যদি কোন প্রার্থী তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তিনি তালিকাভুক্তির অযোগ্য হবেন- (ক) ৩ বৎসরের জন্য (খ) ৫ বৎসরের জন্য (গ) ৬ বৎসরের জন্য (ঘ) ১ বৎসরের জন্য উত্তরঃ- (খ) [ ব্যাখ্যাঃ- বার কাউন্সিল এক্টের ৬০ (৫) বিধি দেখুন।]

৬৪। কোন মামলায় যে কোন পক্ষে একের অধিক এডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে- (ক) এডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত (খ) এডভোকেট যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত (গ) নিযুক্তিয় এডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন (ঘ) নিযুক্তিয় এডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
উত্তরঃ- (গ)

৬৫। আদালত কর্ম সময়ের পর যে কোন জরুরী বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে একজন নিযুক্তিয় এডভোকেটের যোগাযোগ করার উপযুক্ত পন্থা হলো- (ক) বিচারকের সরকারী খাস কামরায় দেখা করা (খ) প্রতিপক্ষের এডভোকেটকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা (গ) এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা (ঘ) স্থানীয় বারের সভাপতিকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা ।
উত্তরঃ- (খ)

৬৬। একজন এডভোকেটের মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য কোন এডভোকেটকে অর্পণ করবে, যদি তাঁকে মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে হয়- (ক) কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে (খ) কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে (গ) অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে (ঘ) মামলায় উক্ত এডভোকেটের নিযুক্তির বিষয়ে উত্তরঃ- (গ)

৬৭। একজন পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো- (ক) আসামীর সাজা নিশ্চিত করা (খ) আসামীর খালাস নিশ্চিত করা (গ) আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখা (ঘ) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
উত্তরঃ- (ঘ)

৬৮। কেবল অপর পক্ষকে হয়রানীর লক্ষ্যে কোন পক্ষ একটি দেওয়ানী মামলা করতে ইচ্ছুক । এক্ষেত্রে একজন এডভোকেট- (ক) আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন (খ) বিরুদ্ধ পক্ষের এডভোকেটকে সাহায্য করবেন (গ) মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন (ঘ) নিযুক্তিয় এডভোকেট হিসাবে মামলাটি পরিচালনা করবেন
উত্তর:- (গ)

৬৯। একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রমে একজন এডভোকেট কোন পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি- (ক) সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন (খ) সম্পত্তিটি বেনামীতে ক্রয় করতে পারবেন (গ) পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন (ঘ) সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না।
উত্তরঃ- (ঘ)

৭০। সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী মামলায় আপীল বিভাগ এ মর্মে ঘোষণা করেন যে- (ক) তত্ত্বাবধায়ক
পদ্ধতি অবৈধ (খ) খন্দকার মোশতাক আহমদ কর্তৃক জারীকৃত সামরিক আইন অবৈধ (গ) জেনারেল এইচ.এম. এরশাদ কর্তৃক জারীকৃত সামরিক আইন অবৈধ (ঘ) রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
উত্তরঃ- (ঘ)

৭১ । অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে একজন আসামী জামিন দাবী করতে পারে যদি তার বয়স হয়- (ক) ১৮ বৎসরের কম (খ) ১৬ বৎসরের কম (গ) ১৫ বৎসরের কম (ঘ) ১৪ বৎসরের কম
উত্তরঃ- (খ) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারা দেখুন।
৭২। কে পাবলিক প্রসিকিউটার নিয়োগ করতে পারে? (ক) রাষ্ট্রপতি (খ) প্রধানমন্ত্রী (গ) অ্যাটর্নী জেনারেল
(ঘ) সরকার
উত্তরঃ- (ঘ)

৭৩। Complaint বলতে বুঝায়- (ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েকৃত অভিযোগ (খ) জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েকৃত অভিযোগ (গ) দায়রা জজের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ (ঘ) পুলিশ অফিসারের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
উত্তর:- (খ)

৭৪ । কে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা করেন? (ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (খ) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (গ) মহানগর দায়রা জজ (ঘ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তরঃ- (ঘ)

৭৫। কোন মহানগর এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তা অ-আমলযোগ্য মামলার তদড় করতে পারবে না, যদি সে অনুমতি না নেয়- (ক) মহা পুলিশ পরিদর্শকের (খ) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (গ) মহানগর দায়রা জজ (ঘ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তরঃ- (ঘ)

৭৬। একটি ফৌজদারী আদালত পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারেন- (ক) সাক্ষ্যের জন্য (খ) তদন্তের জন্য (গ) বিচারের জন্য (ঘ) সুরতহালের জন্য
উত্তরঃ- (গ) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারা দেখুন।

৭৭। যখন ম্যাজিস্টেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন, তখন আসামী- (ক) অব্যাহতি পেতে পারে (খ) খালাস পেতে পারে (গ) দন্ড পেতে পারে (ঘ) মুক্তি পেতে পারে
উত্তর:- (ক) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ২০২ এর ২ (খ) ধারা অনুযায়ী ম্যাজিঃ ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করলে আসামী অব্যাহতি পাবে।]

৭৮। Complaint প্রত্যাহার করা হলে আসামী- (ক) মুক্তি পাবে (খ) অব্যাহতি পাবে (গ) দন্ড পাবে (ঘ) খালাস পাবে
উত্তরঃ- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ২৪৮ ধারা অনুযায়ী নালিশ প্রত্যাহার করা হলে আসামী খালাস পাবে।]

৭৯। Complaint ব্যতীত অন্যভাবে রুজুকৃত একটি ফৌজদারী মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে (ক) মুক্তি দিতে পারেন (খ) অব্যাহতি দিতে পারেন (গ) খালাস দিতে পারেন (ঘ) দন্ড দিতে পারেন উত্তরঃ- (ক) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারা দেখুন ।]

৮০। একজন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল হবে- (ক) হাইকোর্ট বিভাগ
(খ) জেলা জজ আদালতে (গ) দায়রা জজ আদালতে (ঘ) বিভাগীয় জজ আদালতে
উত্তর:- (ক)

৮১। একজন অভিযোকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারে- (ক) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (খ) দায়রা জজ আদালতে (গ) জেলা জজ আদালতে (ঘ) বিভাগীয় জজ আদালতে
উত্তর:- (ক)

৮২। একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধ আপীল করতে পারে- (ক) ৩০ দিনের মধ্যে (খ) ৬০ দিনের মধ্যে (গ) ৯০ দিনের মধ্যে (ঘ) ১২০ দিনের মধ্যে
উত্তরঃ- (খ) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭ ধারা দেখুন।]

৮৩। ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের অধীনে নিম্নে কোন আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে? (ক) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (খ) দায়রা জজ আদালত (গ) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ঘ) জেলা জজ আদালত
উত্তরঃ- (খ)

৮৪ । একজন অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না, যদি অভিযোগকারী হয় একটি- (ক) আর্থিক প্রতিষ্ঠান (খ) বার কাউন্সিল (গ) বার সমিতি (ঘ) আদালত
উত্তরঃ- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী অভিযোগকারী আদালত বা সরকারী কর্মচারী হলে অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না ।]

৮৫। যুগ্ম দায়রা জজ আদালত হতে একটি মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন সংশ্লিষ্ট- (ক) দায়রা জজ (খ) বিভাগীয় জজ (গ) স্পেশাল জজ (ঘ) জেলা জজ
উত্তর:- (ক) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৮ ধারা দেখুন।]

৮৬। ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের ৪৭৬ ধারার অধীন Complaint দায়েরের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেওয়ানী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ- (ক) আপীলযোগ্য (খ) রিভিশনযোগ্য (গ) রিভিউযোগ্য (ঘ) কোনটিই
নয়।
উত্তরঃ- (গ)

৮৭। প্রতিপক্ষ কর্তৃক জেরাকৃত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পরবর্তী যে কোন বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন- (ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য (খ) সরকারী কর্মচারী (গ) মৃত ব্যক্তি (ঘ) প্রত্যক্ষ
উত্তরঃ- (ঘ)

৮৮। সকল ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য হবে- (ক) লিখিত (খ) দালিলিক (গ) পরোক্ষ (ঘ) প্ৰত্যক্ষ
উত্তরঃ- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হবে।]

৮৯। নিম্নের কোনটি গৌণ সাক্ষ্য নহে? (ক) মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি (খ) মূল দলিলের প্রতিলিপি (গ) সাব- রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল (ঘ) দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল সম্পর্কিত মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তরঃ- (গ)

৯০। প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বুঝায় এমন দলিল যাহা পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে- (ক) সরকারী কর্মকর্তার নিকট (খ) আইনজীবীর নিকট (গ) তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট (ঘ) আদালতের নিকট
উত্তরঃ- (ঘ) [ ব্যাখ্যাঃ- ফৌজদারী কার্যবিধির ৬২ ধারা দেখুন ।]

৯১। একটি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে- (ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা (খ) গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা (গ) স্বয়ং দলিলটি দ্বারা (ঘ) উপরের যে কোন একটির দ্বারা
উত্তরঃ- (গ)

৯২। কোনটি Private Document- (ক) মুল বিক্রয় দলিল (খ) খতিয়ান (গ) সিআরপিসি-র ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত বক্তব্য (ঘ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলী আরজি
উত্তর:- (ক)

৯৩। B একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে । A,B এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় । এখানে A- কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে- (ক) B এর জীবনকাল (খ) B এর অসুস্থতা (গ) B এর মৃত্যু (ঘ) B এর হাসপাতালে ত্যাগ
উত্তরঃ- (গ)

৯৪ । বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণের অভিযোগ X অভিযুক্ত হয় । X এর টিকেট ছিল এ বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব- (ক) ট্রেন টিকেট চেকারের (খ) স্টেশন মাস্টারের (গ) ট্রেনের গার্ডের (ঘ) X- এর
উত্তরঃ- (ঘ)

৯৫। তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়- (ক) ১৮৫৯ সালে (খ) ১৮৬২ সালে (গ) ১৮৭১ সালে (ঘ) ১৯০৮ সালে
উত্তরঃ- (ক)

৯৬। লিমিটেশন এ্যাক্ট, ১৯৮০ এর ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না- (ক) স্যুটের ক্ষেত্রে (খ) আপীলের ক্ষেত্রে (গ) রিভিউর ক্ষেত্রে (ঘ) রিভিশনের ক্ষেত্রে
উত্তরঃ- (ক)

৯৭। Z- নাবালক থাকাবস্থায় তার মামলা করার অধিকার জন্মে । গণনা শুরু হবে যখন- (ক) Z এর সাবালকত্বের অবসান হবে (খ) Z নাবালক থাকবে (গ) Z এর নাবালকত্বের অবসান হবে (ঘ) কোনটিই নয় । উত্তরঃ- (গ)

৯৮। একটি আপীল দায়ের তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বাদ যাবে- (ক) আপীলে মেমো প্রস্তুতের জন্য ব্যয়িত সময় (খ) আইনজীবী নিয়োগের জন্য ব্যয়িত সময় (গ) প্রতিপক্ষের প্রতি সমন জারীর জন্য ব্যয়িত সময় (ঘ) রায় এবং ডিক্রি-র জাবেদা নকল পেতে ব্যয়িত সময়
উত্তরঃ- (ঘ)

৯৯। লিমিটেশন এ্যাক্ট-১৯০৮ এর ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয়- (ক) স্যুটের ক্ষেত্রে (খ) রেফারেন্সের ক্ষেত্রে (গ) রিভিশনের ক্ষেত্রে (ঘ) রিভিউ-র ক্ষেত্রে
উত্তরঃ- (ক

১০০। একটি মামলার প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের অভিযোগ করা হলে মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদীর- (ক) অধিকার সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে (খ) প্রতারণা বিষয়ে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে (গ) দলিল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে (ঘ) মামলা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
উত্তরঃ- (খ)