বার কাউন্সিল এবং জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর আলোচনা ও প্রশ্ন

বাংলাদেশের বার কাউন্সিল এবং জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act, 1877) থেকে বিভিন্ন অধ্যায় ও ধারার ওপর ভিত্তি করে প্রশ্ন আসে। নিচে অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ এবং সম্ভাব্য প্রশ্নের তালিকা প্রদান করা হলো:

অধ্যায় ১: প্রারম্ভিক

  • ধারা ১-৩: আইনের শিরোনাম, কার্যকারিতা এবং সংজ্ঞা।
    • সম্ভাব্য প্রশ্ন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কার্যকারিতা কবে থেকে শুরু হয়?

অধ্যায় ২: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার

  • ধারা ৮: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার।
    • সম্ভাব্য প্রশ্ন: ধারা ৮ এর অধীনে মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  • ধারা ৯: বেআইনীভাবে বেদখলকৃত সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার।
    • সম্ভাব্য প্রশ্ন: ধারা ৯ এর অধীনে মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?

অধ্যায় ৩: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার

  • ধারা ১০-১১: অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার এবং জিম্মাদারের অধিকার।
    • সম্ভাব্য প্রশ্ন: ধারা ১০ অনুযায়ী অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের পদ্ধতি কী?

অধ্যায় ৪: চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরতা

  • ধারা ১২-৩০: চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরতা সম্পর্কিত বিধান।
    • সম্ভাব্য প্রশ্ন: কোন কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?

অধ্যায় ৫: প্রতিষেধক আদেশ (Injunctions)

  • ধারা ৩৬-৪২: অস্থায়ী এবং চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত বিধান।
    • সম্ভাব্য প্রশ্ন: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) এবং চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার (Perpetual Injunction) মধ্যে পার্থক্য কী?

অধ্যায় ৬: ঘোষণামূলক ডিক্রি

  • ধারা ৪২: স্বত্ব ঘোষণার অধিকার।
    • সম্ভাব্য প্রশ্ন: ধারা ৪২ এর অধীনে স্বত্ব ঘোষণার জন্য কী শর্ত পূরণ করতে হয়?

উপরোক্ত ধারাসমূহ থেকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এবং জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে প্রশ্ন আসে। তাই এই ধারাগুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন করা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়াও, ভারতের বার কাউন্সিল এবং জুডিশিয়ারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোতে প্রশ্ন দেখা যায়:

  • চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরতা: কোন পরিস্থিতিতে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় এবং কোন পরিস্থিতিতে যায় না।
  • নিষেধাজ্ঞা (Injunction): নিষেধাজ্ঞার প্রকারভেদ, প্রদানের শর্তাবলী এবং বাতিলের কারণ।
  • দখল পুনরুদ্ধার: স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের পদ্ধতি এবং শর্তাবলী।

সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর উপরোক্ত অধ্যায় ও ধারাসমূহের ওপর গভীর ধারণা এবং প্রস্তুতি বাংলাদেশ ও ভারতের বার কাউন্সিল এবং জুডিশিয়ারি পরীক্ষার জন্য সহায়ক হবে।

এক নজরে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act, 1877) হল এক বিশেষ আইন, যা চুক্তি সংক্রান্ত প্রতিকার এবং সম্পত্তির অধিকার পুনরুদ্ধারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিধান নির্ধারণ করে। এই আইনের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়া যায় মূলত পাঁচটি উপায়ে, যা সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার, চুক্তি বাস্তবায়ন, নিষেধাজ্ঞা, ঘোষণামূলক প্রতিকার, এবং রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে কার্যকর হয়।


আইনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

  • আইন নম্বর: ১, ১৮৭৭
  • কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ মে, ১৮৭৭
  • আইনের প্রকৃতি: এটি একটি বিষয়ভিত্তিক বা প্রতিকারমূলক আইন (Substantive Law)।
  • মোট ধারা: ৫৭টি
  • খণ্ড ও অধ্যায়: ৩টি খণ্ড এবং ১০টি অধ্যায়

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের উপায় (ধারা ৫)

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রধানত পাঁচটি উপায়ে দেওয়া হয়:

  1. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার: অবৈধভাবে দখলকৃত সম্পত্তি ফেরত দেওয়া।
  2. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ: বাধ্যবাধকতামূলক চুক্তির বাস্তবায়ন।
  3. নিষেধাজ্ঞা: আইনি বাধ্যবাধকতা না মানলে নিষেধাজ্ঞা জারি।
  4. ঘোষণামূলক প্রতিকার: পক্ষদের অধিকার ঘোষণার মাধ্যমে সমাধান।
  5. রিসিভার নিয়োগ: সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য রিসিভার নিয়োগ।

গুরুত্বপূর্ণ ধারা সমূহ

সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার

  • ধারা ৬: প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
  • ধারা ৭: দণ্ডমূলক আইন কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে না।
  • ধারা ৮: স্বত্বসহ স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (১২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে)।
  • ধারা ৯: স্বত্ব ছাড়া স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (৬ মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে)।
  • ধারা ১০: অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার।

চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন

  • ধারা ১২: চারটি বিশেষ ক্ষেত্রে চুক্তির বাস্তবায়ন করা যায়:
    • ট্রাস্ট সম্পর্কিত হলে।
    • আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট না হলে।
    • আর্থিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হলে।
    • আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব না হলে।
  • ধারা ১৩-১৭: চুক্তির আংশিক কার্যকরকরণ সংক্রান্ত বিধান।
  • ধারা ১৮: ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার।
  • ধারা ১৯: ক্ষতিপূরণের আদেশ।
  • ধারা ২০: খেসারত পরিশোধ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধা নয়।

যেসব ক্ষেত্রে চুক্তির কার্যসম্পাদন সম্ভব নয় (ধারা ২১)

  1. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণই যথেষ্ট হলে।
  2. চুক্তি বাস্তবায়ন অত্যন্ত জটিল হলে।
  3. চুক্তির শর্তাবলী ত্রুটিযুক্ত বা অযৌক্তিক হলে।
  4. শুরু থেকেই বাতিলযোগ্য হলে।
  5. ট্রাস্টির ক্ষমতা লঙ্ঘন করে করা হলে।
  6. আইনের পরিপন্থী হলে।
  7. তিন বছরের বেশি সময় লেগে যাবে এমন হলে।
  8. চুক্তির বিষয়বস্তু চুক্তি স্বাক্ষরের আগেই বিলুপ্ত হলে।

চুক্তি সংশোধন ও বাতিল

  • ধারা ৩১: দলিল সংশোধন (তামাদির মেয়াদ ৩ বছর)।
  • ধারা ৩৫: বিচারপূর্বক চুক্তি রদ।
  • ধারা ৩৭: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বিকল্প হিসেবে চুক্তি রদ।
  • ধারা ৩৯: দলিল বাতিল (তামাদির মেয়াদ ৩ বছর)।

নিষেধাজ্ঞা ও প্রতিরোধমূলক প্রতিকার

  • ধারা ৫২: প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর।
  • ধারা ৫৩: অস্থায়ী ও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।
  • ধারা ৫৪: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়।
  • ধারা ৫৫: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা।
  • ধারা ৫৬: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যানের ১১টি কারণ।
  • ধারা ৫৭: নেতিবাচক চুক্তি বাস্তবায়নে নিষেধাজ্ঞা।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ চুক্তি বাস্তবায়ন ও সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই আইনের অধীনে ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্যান্য প্রতিকার যেমন নিষেধাজ্ঞা, চুক্তির বাধ্যতামূলক বাস্তবায়ন, দলিল সংশোধন এবং ঘোষণামূলক প্রতিকার দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের বার কাউন্সিল এবং জুডিশিয়ারি পরীক্ষার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act, 1877) থেকে অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের তালিকা নিচে দেওয়া হলো। এই তালিকাটি বাংলাদেশ এবং ভারত উভয়ের পরীক্ষার প্রবণতা বিবেচনায় তৈরি করা হয়েছে।


অধ্যায় ১: প্রারম্ভিক (Preliminary)

(ধারা ১-৩)

  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর উদ্দেশ্য ও প্রয়োগ ব্যাখ্যা করুন।
  2. এই আইনের অধীনে ‘সুনির্দিষ্ট প্রতিকার’ বলতে কী বোঝায়?
  3. এই আইন কী ধরনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং কী ধরনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  4. এই আইনের অধীনে ‘Court of Equity’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  5. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের সাথে চুক্তি আইন এবং ফৌজদারি আইনের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করুন।

অধ্যায় ২: স্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার (Recovery of Immovable Property)

(ধারা ৮-৯)

  1. ধারা ৮ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কী শর্ত পূরণ করতে হবে?
  2. কোন ব্যক্তি বেআইনিভাবে উচ্ছেদ হলে, সে কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে?
  3. ধারা ৯ এর অধীনে মামলা করার জন্য কোন কোন শর্ত মানতে হয়?
  4. ধারা ৮ ও ৯ এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  5. এই অধ্যায়ের অধীনে আদালত কাদের পক্ষে রায় দিতে পারে?

অধ্যায় ৩: অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার (Recovery of Movable Property)

(ধারা ১০-১১)

  1. ধারা ১০ অনুযায়ী কবে অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার সম্ভব?
  2. অস্থাবর সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়ার জন্য কী শর্ত প্রযোজ্য?
  3. ধারা ১১ অনুযায়ী, একজন ট্রাস্টি বা জিম্মাদার কীভাবে সম্পত্তি ফেরত দিতে বাধ্য থাকবেন?
  4. এই অধ্যায়ের অধীনে মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  5. কোন পরিস্থিতিতে দখলকারীকে সম্পত্তি ফেরত দিতে বাধ্য করা যায় না?

অধ্যায় ৪: চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরতা (Specific Performance of Contracts)

(ধারা ১২-৩০)

  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরতা বলতে কী বোঝায়?
  2. কোন কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে চুক্তির কার্যকরতা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ রায়সমূহ উল্লেখ করুন।
  4. সুনির্দিষ্ট কার্যকরতার জন্য কোন ধরনের চুক্তিগুলো যোগ্য?
  5. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরতার বিকল্প প্রতিকার কী হতে পারে?
  6. ধারা ২১ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কার্যকরতার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  7. ধারা ২৮ অনুযায়ী আদালত কবে চুক্তির কার্যকরতা বাতিল করতে পারে?
  8. আংশিক কার্যকরতা (Partial Specific Performance) কী এবং এটি কোন পরিস্থিতিতে দেওয়া হয়?
  9. সুনির্দিষ্ট কার্যকরতা না পেলে কি বিকল্প প্রতিকার পাওয়া যায়?
  10. ধারা ১৪ অনুযায়ী, কোন ধরনের চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্যকর করা যায় না?

অধ্যায় ৫: প্রতিষেধক আদেশ (Injunctions)

(ধারা ৩৬-৪২)

  1. অস্থায়ী (Temporary) এবং চিরস্থায়ী (Perpetual) নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পার্থক্য কী?
  2. ধারা ৩৭ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ধরন ব্যাখ্যা করুন।
  3. ধারা ৩৮ অনুযায়ী চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন দেওয়া হয়?
  4. এই আইনের অধীনে নিষেধাজ্ঞা কাদের বিরুদ্ধে দেওয়া যেতে পারে?
  5. কোন পরিস্থিতিতে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে?
  6. একজন ব্যক্তি কীভাবে প্রতিষেধক আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারেন?
  7. নিষেধাজ্ঞা প্রদান সংক্রান্ত আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায়সমূহ উল্লেখ করুন।
  8. ধারা ৪২ অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণার আদেশ কবে দেওয়া যেতে পারে?
  9. “Mandatory Injunction” এবং “Prohibitory Injunction” এর মধ্যে পার্থক্য কী?
  10. বাংলাদেশের আইনে প্রতিষেধক আদেশ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর সংক্ষিপ্তসার লিখুন।

অধ্যায় ৬: ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decrees)

(ধারা ৪২)

  1. ধারা ৪২ অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি (Declaratory Decree) কাদের দেওয়া হয়?
  2. এই ধারা অনুযায়ী ঘোষণামূলক ডিক্রির কার্যকারিতা কী?
  3. এই ডিক্রি কি কোনো সম্পত্তির মালিকানা প্রদান করে?
  4. ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য আদালতে কী ধরনের প্রমাণ প্রদান করতে হয়?
  5. কোন পরিস্থিতিতে আদালত ঘোষণামূলক ডিক্রি দিতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে?
  6. এই ধারার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর সংক্ষিপ্তসার লিখুন।
  7. বাংলাদেশের আইনে ঘোষণামূলক ডিক্রির গুরুত্ব ও প্রয়োগ ব্যাখ্যা করুন।

অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের সাথে দেওয়ানি কার্যবিধির (CPC) সম্পর্ক ব্যাখ্যা করুন।
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কার্যকারিতা ও সীমাবদ্ধতা কী?
  3. এই আইনের অধীনে প্রতিকার পাওয়ার জন্য মামলার সময়সীমা কী?
  4. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রক্রিয়ার পার্থক্য কী?
  5. সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়সমূহ এই আইনের কোন কোন ধারার ব্যাখ্যায় ব্যবহৃত হয়েছে?
  6. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের সংশোধনীগুলো কী কী?
  7. বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কোন মামলায় এই আইনের উল্লেখযোগ্য প্রয়োগ ঘটেছে?
  8. আইনের সংশোধন বা উন্নয়নের জন্য কী সুপারিশ করা যেতে পারে?

এই অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের তালিকা অনুসরণ করলে বার কাউন্সিল ও জুডিশিয়ারি পরীক্ষার জন্য ভালো প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে। এগুলো বিগত বছরের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে প্রস্তুত করা হয়েছে।

আপনার আরও কোনো নির্দিষ্ট টপিক বা ব্যাখ্যা লাগলে জানান, আমি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে দিতে পারব!

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ৪,৬১৫ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ মাগুরায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার সাত দিনের মধ্যে শুরু হবে: আইন উপদেষ্টা চাকুরিতে নিয়োজিত আইনজীবীদের বারের সদস্যপদ স্থগিতের অনুরোধ আদালতে ঘুষ গ্রহণ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল!