[t4b-ticker]

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১২: সময় গণনার নিয়ম

🔹 ভূমিকা আইনগত অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে তামাদি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১২ মামলার জন্য নির্ধারিত সময় গণনার নিয়ম নির্ধারণ করে। এটি মূলত নিশ্চিত করে যে, মামলার তামাদি সময় গণনার ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট সময় বাদ দেওয়া হবে, যেমন- … বিস্তারিত

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১১ কী বলে এবং এটি কীভাবে মামলার উপর প্রভাব ফেলে?

🔹 ভূমিকা তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১১ (Section 11) একাধিক আইনি ব্যবস্থার অধীনে মামলা দায়েরের তামাদি সময়সীমা নির্ধারণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির একই মামলা দুই বা ততোধিক ভিন্ন আইনি ব্যবস্থায় (jurisdictions) দায়েরের সুযোগ থাকে, তবে সে যে … বিস্তারিত

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১০ কী বলে এবং এটি কীভাবে মামলার উপর প্রভাব ফেলে?

🔹 ভূমিকা তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১০ (Section 10) বিশ্বাসভঙ্গ (Breach of Trust) সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে তামাদির বিধান নির্ধারণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো সম্পত্তি বিশ্বাসভঙ্গের (Breach of Trust) মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়, তাহলে তার জন্য কোনো তামাদি সময়সীমা … বিস্তারিত

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ কী বলে এবং এটি কীভাবে মামলার উপর প্রভাব ফেলে?

🔹 ভূমিকা তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ (Section 9) তামাদির সময় গণনার নিয়ম ব্যাখ্যা করে। এই ধারা অনুযায়ী, একবার তামাদির সময় গণনা শুরু হলে, তা কোনো ব্যক্তিগত অযোগ্যতা বা পরবর্তী কোনো ঘটনার কারণে স্থগিত হবে না। অর্থাৎ, একবার তামাদির ঘড়ি … বিস্তারিত

তামাদি আইনের ৮ নম্বর ধারার ব্যাখ্যা

এই ধারায় তামাদি আইনের ব্যতিক্রম (Exceptions under the Limitation Act) নিয়ে। এটি মূলত Section 8 of the Limitation Act, 1908 অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। আসুন এই ধারাটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা করি। Section 8 of the Limitation Act, 1908 স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে … বিস্তারিত

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৭ কী বলে এবং এটি কীভাবে মামলার উপর প্রভাব ফেলে?

🔹 ভূমিকা তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৭ (Section 7) হলো একাধিক অযোগ্য ব্যক্তির (Multiple Disabilities) ক্ষেত্রে তামাদি গণনার নিয়ম। এই ধারা বলছে, যদি কোনো ব্যক্তি যখন মামলা দায়েরের অধিকার লাভ করে তখন একাধিক আইনি অযোগ্যতায় (Disabilities) ভোগে, তবে সব অযোগ্যতা … বিস্তারিত

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ কী বলে এবং এটি কীভাবে মামলার উপর প্রভাব ফেলে?

🔹 ভূমিকা তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ (Section 6) হলো বিষয়-অযোগ্য ব্যক্তির (Disability) কারণে মামলার সময়সীমা স্থগিত রাখার বিধান। এই ধারা বলছে, যদি কোনো ব্যক্তি মানসিক অসুস্থতা, অপ্রাপ্তবয়স্কতা (নাবালক), বা অন্য কোনো আইনগত অযোগ্যতার কারণে মামলা করতে না পারে, তাহলে … বিস্তারিত

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫ কী বলে এবং এটি কীভাবে মামলার উপর প্রভাব ফেলে?

🔹 ভূমিকা তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫ (Section 5) আপিল (Appeal) এবং কিছু নির্দিষ্ট আবেদন (Application) ক্ষেত্রে বিলম্ব গ্রহণযোগ্য করার সুযোগ দেয়। এটি আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম, যা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালতকে কিছু ক্ষেত্রে সময়সীমা শিথিল করার ক্ষমতা দেয়। এটি … বিস্তারিত

তামাদি আইনের ধারা ৩ কী বলে এবং এটি কীভাবে মামলার উপর প্রভাব ফেলে?

🔹 ভূমিকা তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৩ হলো এই আইনের ভিত্তিমূলক ধারা। এটি স্পষ্টভাবে বলে যে যদি কোনো মামলা, আপিল বা আবেদন নির্ধারিত সময়সীমার পর দায়ের করা হয়, তবে আদালত সেটি খারিজ করবে, এমনকি যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ থেকে আপত্তি না … বিস্তারিত

তামাদি কাকে বলে এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

🔹 ভূমিকা “তামাদি” শব্দটি এসেছে আরবি “তামাদ্দুদ” থেকে, যার অর্থ মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া। আইনগতভাবে, তামাদি বলতে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়েরের বাধ্যবাধকতাকে বোঝায়। তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পর কোনো ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে … বিস্তারিত