[t4b-ticker]

তামাদি আইন কীভাবে নাগরিকদের অধিকার ও প্রতিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে?

তামাদি আইন, ১৯০৮ মূলত নাগরিকদের অধিকার (Rights) এবং প্রতিকার (Remedies) এর মধ্যে একটি সুষম ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য প্রণীত হয়েছে। একদিকে এটি আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ প্রদান করে, অন্যদিকে আইনি প্রক্রিয়াকে অযথা দীর্ঘায়িত হওয়া থেকে রক্ষা করে। নিচে এ ভারসাম্যের … বিস্তারিত

বাংলাদেশের তামাদি আইন ও ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত সময়সীমার মধ্যে পার্থক্য

বাংলাদেশে তামাদি আইন, ১৯০৮ মূলত দেওয়ানি মামলার (civil cases) সময়সীমা নির্ধারণ করে, আর ফৌজদারি মামলা (criminal cases) সংক্রান্ত সময়সীমা সাধারণত ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Criminal Procedure Code, CrPC) এবং অন্যান্য বিশেষ আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। নিচে এ দুটি আইনের মধ্যে প্রধান … বিস্তারিত

তামাদি আইনের ধারা ২৬ ও ২৭ অনুযায়ী Easement (স্বত্বাধিকার) সংক্রান্ত মামলার তামাদি সময়সীমা

তামাদি আইনের ধারা ২৬ ও ২৭ অনুযায়ী Easement (স্বত্বাধিকার) সংক্রান্ত মামলার তামাদি সময়সীমা 📜 তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৬ ও ২৭ নির্ধারণ করে যে, কোনো Easement (স্বত্বাধিকার) সংক্রান্ত অধিকার কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কতদিন পর সেই অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যেতে … বিস্তারিত

তামাদি আইনের ধারা ২২ অনুযায়ী নতুন পক্ষ সংযোজন বা প্রতিস্থাপন হলে সময় গণনার নিয়ম

📜 তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২ নির্ধারণ করে যে, যদি কোনো মামলায় নতুন পক্ষ (Plaintiff বা Defendant) সংযোজন বা প্রতিস্থাপন করা হয়, তবে তামাদি সময় গণনা কীভাবে হবে। 🔸 ধারা ২২(১): নতুন পক্ষ সংযোজনের ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনা 👉 যদি … বিস্তারিত

তামাদি আইনের ধারা ১৯ ও ২০ অনুযায়ী ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে স্বীকারোক্তি (Acknowledgment) ও কিস্তিতে পরিশোধের প্রভাব

📜 তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৯ ও ২০ ঋণ বা দায় স্বীকার এবং কিস্তিতে পরিশোধের ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। 🔸 ধারা ১৯: ঋণের স্বীকারোক্তির (Acknowledgment) প্রভাব 👉 যদি কোনো ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তামাদি মেয়াদ শেষ … বিস্তারিত

তামাদি আইনের ধারা ১৪ অনুসারে ভুল আদালতে মামলা করলে তামাদি গণনা

📜 তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৪ এমন একটি বিশেষ বিধান যা ভুল আদালতে মামলা দায়ের করার ফলে সময়ের অপচয় রোধ করে এবং সুবিচার নিশ্চিত করে। 🔸 ধারা ১৪-এর মূল বক্তব্য: 👉 যদি কোনো ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত বিশ্বাসে ভুল আদালতে মামলা দায়ের … বিস্তারিত

তামাদি আইনে “Fraud” (প্রতারণা) এর প্রভাব এবং সময় গণনার পরিবর্তন

📜 তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮ প্রতারণার কারণে তামাদি সময় গণনার ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান প্রদান করে। 🔸 প্রতারণার সংজ্ঞা ও প্রভাব যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে কারও অধিকার বা মামলা করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে, তাহলে নির্ধারিত তামাদি সময় (limitation … বিস্তারিত

তামাদি আইনের ধারা ২৮ অনুযায়ী অধিকার বিলুপ্তির বিধান সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় – ব্যাখ্যা

📜 ধারা ২৮ এর বিধান: 👉 **তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের না করলে তার অধিকার (right to property) বিলুপ্ত হয়ে যায়। 📌 মূল বক্তব্য: যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করা না হয়, … বিস্তারিত

তামাদি আইনের অধীনে “Computation of Limitation Period” কীভাবে করা হয়? (উদাহরণসহ ব্যাখ্যা)

তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908)-এর অধীনে Computation of Limitation Period (তামাদির সময় গণনা) করার জন্য নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। এই সময় গণনার নিয়মগুলো বিচারিক কার্যক্রমকে সুসংগঠিত রাখে এবং আইনি পক্ষগুলোর জন্য সঠিক সময়সীমা নির্ধারণ করে। 🔸 Computation of Limitation … বিস্তারিত

তামাদি আইন কীভাবে অবহেলা ও অযথা বিলম্ব রোধ করে? এর ফলে কী সুবিধা হয়?

তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act) আইনি কার্যক্রমের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে, যার ফলে পক্ষগণকে যথাসময়ে মামলা দায়ের করতে বাধ্য করা হয়। এটি অবহেলা ও অযথা বিলম্ব রোধ করে এবং বিচারিক প্রক্রিয়াকে কার্যকর রাখে। 🔹 তামাদি আইন কীভাবে অবহেলা ও … বিস্তারিত